চরচা ডেস্ক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ‘বাটপারি’ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
আজ বুধবার রংপুর পাবলিক লাইব্রেরিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
ফুয়াদ বলেন, “স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ইতিমধ্যেই বাটপারি শুরু করেছেন। তিনি এসি রুমকে সাব-জেল ঘোষণা করেছেন এরপর থেকে সবাই যখন জেলে যাবে, বাসাগুলোকে সাব-জেল ঘোষণা করে দেবেন। গরিব মানুষ, দুঃখী মানুষ-যার ক্ষমতা নাই, তিনি কাশিমপুর কেরানীগঞ্জে থাকবেন। আর অতি ক্ষমতাবান যারা, তারা এসি রুমে, ফাইভ স্টার জেলে থাকবে, নিজের বাসায় থাকবে। আইফোন ব্যবহার করে দুনিয়ায়, দেশে-বিদেশে যোগাযোগ করবে, ফেসবুক চালাবে। এইটা বিচারের ডেফিনিশনে পড়ে না।”
তিনি আরও বলেন, “যখন বিচারের প্রশ্ন আসবে, তখন শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতার প্রতি সর্বোচ্চ ইনসাফ করতে হবে।”
সামরিক কর্মকর্তাদের বিচার প্রসঙ্গে এবি পার্টির এই নেতা বলেন,গুম, খুন, আয়নাঘর এবং লাখো মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করার পেছনে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করার আয়োজনকে আমরা স্বাগত জানাই।
মতবিনিময় সভায় তিনি শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি বাস্তবায়ন এবং রংপুরে বন্ধ চিনিকল পুনরায় চালু করার বিষয়ে কথা বলেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ‘বাটপারি’ করছেন বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
আজ বুধবার রংপুর পাবলিক লাইব্রেরিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
ফুয়াদ বলেন, “স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ইতিমধ্যেই বাটপারি শুরু করেছেন। তিনি এসি রুমকে সাব-জেল ঘোষণা করেছেন এরপর থেকে সবাই যখন জেলে যাবে, বাসাগুলোকে সাব-জেল ঘোষণা করে দেবেন। গরিব মানুষ, দুঃখী মানুষ-যার ক্ষমতা নাই, তিনি কাশিমপুর কেরানীগঞ্জে থাকবেন। আর অতি ক্ষমতাবান যারা, তারা এসি রুমে, ফাইভ স্টার জেলে থাকবে, নিজের বাসায় থাকবে। আইফোন ব্যবহার করে দুনিয়ায়, দেশে-বিদেশে যোগাযোগ করবে, ফেসবুক চালাবে। এইটা বিচারের ডেফিনিশনে পড়ে না।”
তিনি আরও বলেন, “যখন বিচারের প্রশ্ন আসবে, তখন শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতার প্রতি সর্বোচ্চ ইনসাফ করতে হবে।”
সামরিক কর্মকর্তাদের বিচার প্রসঙ্গে এবি পার্টির এই নেতা বলেন,গুম, খুন, আয়নাঘর এবং লাখো মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করার পেছনে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করার আয়োজনকে আমরা স্বাগত জানাই।
মতবিনিময় সভায় তিনি শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি বাস্তবায়ন এবং রংপুরে বন্ধ চিনিকল পুনরায় চালু করার বিষয়ে কথা বলেন।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, ১৯৭২ সালেও মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযুদ্ধকালীন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি আইন করা হয়েছিল। তবে সেই আইন ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সংজ্ঞা ও জুলাই সনদকে বিবেচনায় রেখে দায়মুক্তির সময়সীমা শুধুমাত্র জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

জীবদ্দশায় এই কিংবদন্তীর সবচেয়ে বড় অর্জনের ২ টা হলো তার অহিংস প্রতিবাদের ডাকে আমেরিকার সংবিধানে ২৪তম সংশোধনীর অনুমোদন হয় যার মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের ভোটাধিকারের ওপর আরোপিত কর বিলুপ্ত করা হয় এবং দ্বিতীয়টি হলো ১৯৬৪ সালের নাগরিক অধিকার আইন (Civil Rights Act) পাস করা হয়।