চরচা ডেস্ক

জোরপূর্বক শ্রম-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে শিথিলতার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ৬০টি ব্যবসায়িক অংশীদারের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসন ফেডারেল রেজিস্টারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানায়।
নতুন নীতি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে আসা ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ আমদানি পণ্য এই শুল্কের আওতায় পড়বে। তবে তেল, গ্যাস, সার ও নির্দিষ্ট কিছু খাদ্যপণ্যকে এই ছাড়ের তালিকায় রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, ব্রিটেন, ভারত, পাকিস্তান ও কানাডাসহ বেশ কিছু দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে চীন, তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর ওপর ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানো হয়েছে। বিশেষ করে চীনের বিরুদ্ধে উইঘুর সংখ্যালঘুদের বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করার অভিযোগ এনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানান, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অসৎ বাণিজ্য রোধ করতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে। বাণিজ্য অংশীদারদেরও একই নীতি অনুসরণের সময় এসেছে।”
গত ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আগের কিছু শুল্ক বাতিল করার পর ১৫০ দিনের জন্য যে অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, তা শুক্রবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। নতুন ঘোষিত এই শুল্ক ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই কার্যকর হবে। তবে ২৮ জুলাইয়ের আগে পরিবহনাধীন থাকা পণ্যগুলো এই শুল্ক ছাড়ের সুবিধা পাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন একতরফা সিদ্ধান্তে বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল ও নরওয়ে এই সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। অন্যদিকে, কানাডা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের কথা জানিয়েছে।

জোরপূর্বক শ্রম-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে শিথিলতার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ৬০টি ব্যবসায়িক অংশীদারের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসন ফেডারেল রেজিস্টারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানায়।
নতুন নীতি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে আসা ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ আমদানি পণ্য এই শুল্কের আওতায় পড়বে। তবে তেল, গ্যাস, সার ও নির্দিষ্ট কিছু খাদ্যপণ্যকে এই ছাড়ের তালিকায় রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, ব্রিটেন, ভারত, পাকিস্তান ও কানাডাসহ বেশ কিছু দেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে চীন, তাইওয়ান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর ওপর ১০ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক বসানো হয়েছে। বিশেষ করে চীনের বিরুদ্ধে উইঘুর সংখ্যালঘুদের বাধ্যতামূলক শ্রমে নিয়োজিত করার অভিযোগ এনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানান, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অসৎ বাণিজ্য রোধ করতেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে। বাণিজ্য অংশীদারদেরও একই নীতি অনুসরণের সময় এসেছে।”
গত ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের আগের কিছু শুল্ক বাতিল করার পর ১৫০ দিনের জন্য যে অস্থায়ী ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল, তা শুক্রবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে। নতুন ঘোষিত এই শুল্ক ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই কার্যকর হবে। তবে ২৮ জুলাইয়ের আগে পরিবহনাধীন থাকা পণ্যগুলো এই শুল্ক ছাড়ের সুবিধা পাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন একতরফা সিদ্ধান্তে বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল ও নরওয়ে এই সিদ্ধান্তকে ‘অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। অন্যদিকে, কানাডা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের কথা জানিয়েছে।

জোরপূর্বক শ্রম-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে শিথিলতার অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ ৬০টি ব্যবসায়িক অংশীদারের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার ট্রাম্প প্রশাসন ফেডারেল রেজিস্টারের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানায়।