চরচা ডেস্ক

তাইওয়ানকে তার গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে এবং কখনোই চীনের অংশে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে। একই সঙ্গে তিনি তার দল ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) নেতাকর্মীদের প্রতি বেইজিং থেকে আসা ‘লাল সন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
দুই বছর আগে নির্বাচিত হওয়া লাই এবং তার ক্ষমতাসীন ডিপিপি চীন থেকে তাইওয়ানের পৃথক পরিচয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকে। এই অবস্থান প্রায়ই বেইজিংকে ক্ষুব্ধ করে, কারণ চীন দ্বীপটিকে নিজের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
রোববার ডিপিপির বার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্যে লাই বলেন, শান্তিকালেও তাইওয়ানকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি চীনের কথিত ‘আইনগত যুদ্ধের’ উদাহরণ হিসেবে সম্প্রতি প্রণীত ‘জাতিগত ঐক্য আইন’-এর কথা উল্লেখ করেন। তার মতে, এই আইন চীনের সীমানার বাইরে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে।
এ নিয়ে তাইওয়ানে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ, এর ফলে বেইজিং তাইওয়ানের যাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী মনে করে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা গ্রেপ্তারের নতুন আইনি ভিত্তি পেতে পারে। তবে চীন এ আইন নিয়ে সব ধরনের সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ছাড়া, চীনের আইনব্যবস্থার এখতিয়ার তাইওয়ানে নেই।
সরকারি ভাষা মান্দারিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ (হক্কিয়েন বা হোকলো) ভাষায় দেওয়া বক্তব্যে লাই বলেন, “আমি দলের সহকর্মীদের সামনের সারিতে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে চীনের ‘রেড টেরর’ থেকে তাইওয়ানের সমাজকে রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছি।”
তিনি বলেন, “আমাদের গণতান্ত্রিক ও স্বাধীন জীবনধারা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই ‘গণতান্ত্রিক তাইওয়ান’কে পেছনে ফিরিয়ে ‘চীনের তাইওয়ান’-এ পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।”
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চীনের তাইওয়ান বিষয়ক দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বেইজিং লাইয়ের আলোচনার আহ্বান বারবার প্রত্যাখ্যান করে তাকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে অভিহিত করেছে।
ডিপিপির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করা লাই পুনর্ব্যক্ত করেন, তাইওয়ান ইতিমধ্যেই একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। এর সাংবিধানিক নাম ‘রিপাবলিক অব চায়না’ এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অধীন নয়।
তিনি বলেন, “কে কোন জাতিগোষ্ঠীর, কে আগে এসেছে বা পরে এসেছে—তা বিবেচ্য নয়। যারা তাইওয়ানকে নিজেদের দেশ হিসেবে স্বীকার করে, তারাই এ দেশের মালিক। তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন তাইওয়ানের ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষই।”
১৯৪৯ সালে মাও জে দংয়ের নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্টদের কাছে গৃহযুদ্ধে পরাজিত হয়ে রিপাবলিক অব চায়না সরকার তাইওয়ানে আশ্রয় নেয়। অপরদিকে কমিউনিস্টরা মূল ভূখণ্ডে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠা করে।
এখন পর্যন্ত দুই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে একে অপরকে স্বীকৃতি দেয়নি। গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে কোনো শান্তিচুক্তি বা যুদ্ধবিরতিও স্বাক্ষরিত হয়নি।

তাইওয়ানকে তার গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকতে এবং কখনোই চীনের অংশে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে। একই সঙ্গে তিনি তার দল ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির (ডিপিপি) নেতাকর্মীদের প্রতি বেইজিং থেকে আসা ‘লাল সন্ত্রাসের’ বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
দুই বছর আগে নির্বাচিত হওয়া লাই এবং তার ক্ষমতাসীন ডিপিপি চীন থেকে তাইওয়ানের পৃথক পরিচয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়ে থাকে। এই অবস্থান প্রায়ই বেইজিংকে ক্ষুব্ধ করে, কারণ চীন দ্বীপটিকে নিজের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দাবি করে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
রোববার ডিপিপির বার্ষিক সম্মেলনে বক্তব্যে লাই বলেন, শান্তিকালেও তাইওয়ানকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি চীনের কথিত ‘আইনগত যুদ্ধের’ উদাহরণ হিসেবে সম্প্রতি প্রণীত ‘জাতিগত ঐক্য আইন’-এর কথা উল্লেখ করেন। তার মতে, এই আইন চীনের সীমানার বাইরে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে।
এ নিয়ে তাইওয়ানে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ, এর ফলে বেইজিং তাইওয়ানের যাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী মনে করে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা বা গ্রেপ্তারের নতুন আইনি ভিত্তি পেতে পারে। তবে চীন এ আইন নিয়ে সব ধরনের সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ছাড়া, চীনের আইনব্যবস্থার এখতিয়ার তাইওয়ানে নেই।
সরকারি ভাষা মান্দারিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ (হক্কিয়েন বা হোকলো) ভাষায় দেওয়া বক্তব্যে লাই বলেন, “আমি দলের সহকর্মীদের সামনের সারিতে থেকে ঐক্যবদ্ধভাবে চীনের ‘রেড টেরর’ থেকে তাইওয়ানের সমাজকে রক্ষার আহ্বান জানাচ্ছি।”
তিনি বলেন, “আমাদের গণতান্ত্রিক ও স্বাধীন জীবনধারা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই ‘গণতান্ত্রিক তাইওয়ান’কে পেছনে ফিরিয়ে ‘চীনের তাইওয়ান’-এ পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।”
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চীনের তাইওয়ান বিষয়ক দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বেইজিং লাইয়ের আলোচনার আহ্বান বারবার প্রত্যাখ্যান করে তাকে ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ বলে অভিহিত করেছে।
ডিপিপির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করা লাই পুনর্ব্যক্ত করেন, তাইওয়ান ইতিমধ্যেই একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। এর সাংবিধানিক নাম ‘রিপাবলিক অব চায়না’ এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের অধীন নয়।
তিনি বলেন, “কে কোন জাতিগোষ্ঠীর, কে আগে এসেছে বা পরে এসেছে—তা বিবেচ্য নয়। যারা তাইওয়ানকে নিজেদের দেশ হিসেবে স্বীকার করে, তারাই এ দেশের মালিক। তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন তাইওয়ানের ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষই।”
১৯৪৯ সালে মাও জে দংয়ের নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্টদের কাছে গৃহযুদ্ধে পরাজিত হয়ে রিপাবলিক অব চায়না সরকার তাইওয়ানে আশ্রয় নেয়। অপরদিকে কমিউনিস্টরা মূল ভূখণ্ডে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠা করে।
এখন পর্যন্ত দুই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে একে অপরকে স্বীকৃতি দেয়নি। গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে কোনো শান্তিচুক্তি বা যুদ্ধবিরতিও স্বাক্ষরিত হয়নি।