রাজশাহী প্রতিনিধি

একজন পুলিশ সদস্যের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা। এমনটিই বলেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় ৪১তম ক্যাডেট ব্যাচের শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টরদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন বদলে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, সাইবার ক্রাইম ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আধুনিক রাখতে হবে।
নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা শুধু একটি চাকরিতে যোগ দিচ্ছ না, বরং সেবামূলক পেশায় আত্মনিয়োগ করছ। এই পেশার মূলমন্ত্র হলো–সেবাই ধর্ম। তিনি আরও বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদে সহায়তা করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার মূল্যবোধ ধারণ করেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আলী হোসেন বলেন, নতুন কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন এবং পুলিশের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টরদের অভিবাদন গ্রহণ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন। পরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের পুরস্কার তুলে দেন।
এবারের প্যারেডে ২০৯ জন শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টর, যার মধ্যে ৫ জন নারী সদস্য, অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সারদা পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল জিএম আজিজুর রহমান, জনপ্রতিনিধি এবং সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

একজন পুলিশ সদস্যের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা। এমনটিই বলেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় ৪১তম ক্যাডেট ব্যাচের শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টরদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন বদলে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, সাইবার ক্রাইম ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা ও সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বাস্তবে কাজে লাগিয়ে নিজেদের আধুনিক রাখতে হবে।
নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা শুধু একটি চাকরিতে যোগ দিচ্ছ না, বরং সেবামূলক পেশায় আত্মনিয়োগ করছ। এই পেশার মূলমন্ত্র হলো–সেবাই ধর্ম। তিনি আরও বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিপদে সহায়তা করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠার মূল্যবোধ ধারণ করেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।
আলী হোসেন বলেন, নতুন কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন এবং পুলিশের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টরদের অভিবাদন গ্রহণ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন। পরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের পুরস্কার তুলে দেন।
এবারের প্যারেডে ২০৯ জন শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টর, যার মধ্যে ৫ জন নারী সদস্য, অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সারদা পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল জিএম আজিজুর রহমান, জনপ্রতিনিধি এবং সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।