চরচা ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার কাজে ধর্মের ব্যবহার না করাসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব দাবি তুলে ধরেন মহাজোটের নেতারা।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে বলেন, “আমাদের প্রস্তাবের সঙ্গে কমিশন একমত হয়েছেন, জানিয়েছেন আগে থেকে এ নিয়ে কাজ করছেন। সিইসি গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন, আমরাও কথা দিয়েছি নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পর এসে দেখলাম বাসাবাড়ি, মঠ, মন্দির, ভাঙচুর হয়েছে-এ ধরনের পরিবেশে পরিস্থিতি যেন না হয় সে বিষয়ে সিইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সিইসি নিশ্চয়তা দিয়েছেন এবার কেউ আপনাদের অত্যাচার করতে পারবে না। আমরা শক্তভাবে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
হিন্দু মহাজোটের শঙ্কার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “নির্বাচনে ভয়ের জায়গাটা অপ্রাসাঙ্গিক নয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা দুর্গা পূজা এবং নির্বাচনের সময় উদ্বিগ্ন থাকে। নির্বাচন কখনো হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য সুখকর ছিল না। নির্বাচনের আগে কিংবা পরে, প্রতিটা সরকার সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ করেছে এবং যা নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বলেছে, অপরাধীরা এবার পার পাবে না।”
হিন্দু মহাজোট যে সাত দফা সিইসির কাছে তুলে ধরেছে, সেগুলো হল-

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার কাজে ধর্মের ব্যবহার না করাসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট।
আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব দাবি তুলে ধরেন মহাজোটের নেতারা।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে বলেন, “আমাদের প্রস্তাবের সঙ্গে কমিশন একমত হয়েছেন, জানিয়েছেন আগে থেকে এ নিয়ে কাজ করছেন। সিইসি গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন, আমরাও কথা দিয়েছি নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পর এসে দেখলাম বাসাবাড়ি, মঠ, মন্দির, ভাঙচুর হয়েছে-এ ধরনের পরিবেশে পরিস্থিতি যেন না হয় সে বিষয়ে সিইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সিইসি নিশ্চয়তা দিয়েছেন এবার কেউ আপনাদের অত্যাচার করতে পারবে না। আমরা শক্তভাবে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”
হিন্দু মহাজোটের শঙ্কার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “নির্বাচনে ভয়ের জায়গাটা অপ্রাসাঙ্গিক নয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা দুর্গা পূজা এবং নির্বাচনের সময় উদ্বিগ্ন থাকে। নির্বাচন কখনো হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য সুখকর ছিল না। নির্বাচনের আগে কিংবা পরে, প্রতিটা সরকার সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ করেছে এবং যা নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন বলেছে, অপরাধীরা এবার পার পাবে না।”
হিন্দু মহাজোট যে সাত দফা সিইসির কাছে তুলে ধরেছে, সেগুলো হল-

প্রতারণার শিকার হয়ে একজন শাহজাহানপুর থানায় মামলা করলে সাইবার পুলিশ সেন্টারের ‘সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট টিম’ তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির সদস্য লক্ষ্মীপুর জেলার বাসিন্দা মো. সোহাগ হোসেন কে শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে তাকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।