চরচা ডেস্ক

তিব্বতি বৌদ্ধদের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা এবার ৯০ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। তার স্পোকেন-ওয়ার্ড অ্যালবাম ‘মেডিটেশনস: দ্য রিফ্লেকশন অব হিস হলিনেস অব দ্য দালাই লামা’র জন্য এ পুরস্কার পান তিনি।
লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ৬৮তম বার্ষিক গ্র্যামি পুরষ্কারে অ্যালবামটি সেরা অডিও বুক, ন্যারেশন এবং স্টোরি টেলিং রেকর্ডিং বিভাগে গ্র্যামি জিতেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পুরষ্কার নিতে উপস্থিত ছিলেন না বৌদ্ধধর্মগুরু। তার হয়ে পুরষ্কার নেন গায়ক-গীতিকার রুফাস ওয়েনরাইট।
গ্র্যামি পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে দালাই লামা বলেছেন, “আমি কৃতজ্ঞতা ও বিনয়ের সঙ্গে এই স্বীকৃতি গ্রহণ করছি। আমি এটিকে ব্যক্তিগত প্রাপ্তি হিসেবে দেখি না, বরং এটা মহাজাগতিক দায়িত্ববোধের স্বীকৃতি, যার ভাগীদার আমরা সবাই। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে শান্তি, করুণা, এবং মানবতার একত্বের উপলব্ধি মানুষের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য অপরিহার্য। আমি কৃতজ্ঞ যে গ্র্যামি স্বীকৃতি বার্তাগুলোকে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করতে পারে।”
দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ১৯৫৯ সালে চীনা সেনারা বেইজিং-শাসনের বিরোধী তিব্বতিদের স্বাধীনতা সংগ্রাম দমন করে। সে সময় মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিব্বতের রাজধানী লাসা ছেড়ে যেতে বাধ্য হন দালাই লামা। এরপর আর কখনোই নিজ মাতৃভূমিতে পা রাখেননি এই আধ্যাত্মিক নেতা।
তিব্বতের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, তিনি ১৪তম দালাই লামা। তার আগে আরও ১৩বার তার জন্ম হয়েছে। প্রথম দালাই লামা পৃথিবীতে এসেছিলেন ১৩৯১ সালে।

তিব্বতি বৌদ্ধদের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা এবার ৯০ বছর বয়সে প্রথমবারের মতো গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। তার স্পোকেন-ওয়ার্ড অ্যালবাম ‘মেডিটেশনস: দ্য রিফ্লেকশন অব হিস হলিনেস অব দ্য দালাই লামা’র জন্য এ পুরস্কার পান তিনি।
লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত ৬৮তম বার্ষিক গ্র্যামি পুরষ্কারে অ্যালবামটি সেরা অডিও বুক, ন্যারেশন এবং স্টোরি টেলিং রেকর্ডিং বিভাগে গ্র্যামি জিতেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পুরষ্কার নিতে উপস্থিত ছিলেন না বৌদ্ধধর্মগুরু। তার হয়ে পুরষ্কার নেন গায়ক-গীতিকার রুফাস ওয়েনরাইট।
গ্র্যামি পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে দালাই লামা বলেছেন, “আমি কৃতজ্ঞতা ও বিনয়ের সঙ্গে এই স্বীকৃতি গ্রহণ করছি। আমি এটিকে ব্যক্তিগত প্রাপ্তি হিসেবে দেখি না, বরং এটা মহাজাগতিক দায়িত্ববোধের স্বীকৃতি, যার ভাগীদার আমরা সবাই। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি যে শান্তি, করুণা, এবং মানবতার একত্বের উপলব্ধি মানুষের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য অপরিহার্য। আমি কৃতজ্ঞ যে গ্র্যামি স্বীকৃতি বার্তাগুলোকে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করতে পারে।”
দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ১৯৫৯ সালে চীনা সেনারা বেইজিং-শাসনের বিরোধী তিব্বতিদের স্বাধীনতা সংগ্রাম দমন করে। সে সময় মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিব্বতের রাজধানী লাসা ছেড়ে যেতে বাধ্য হন দালাই লামা। এরপর আর কখনোই নিজ মাতৃভূমিতে পা রাখেননি এই আধ্যাত্মিক নেতা।
তিব্বতের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, তিনি ১৪তম দালাই লামা। তার আগে আরও ১৩বার তার জন্ম হয়েছে। প্রথম দালাই লামা পৃথিবীতে এসেছিলেন ১৩৯১ সালে।