চরচা প্রতিবেদক

বরিশালে আদালতের এজলাসে ভাঙচুর এবং বিচারকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান লিংকনসহ ১১ আইনজীবী জামিন দিয়েছেন দ্রুত বিচার আদালত। তবে ১২ নম্বর আসামি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান সাঈদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মিরাজুল ইসলাম রাসেল এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দ্রুত বিচার আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম রাসেলের কোর্টে জামিন শুনানি হয়। শুনানি শেষে ১২ জন আইনজীবীর মধ্যে ১১ জনকে ২০০ টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হলেও ১২ নম্বর আসামি মিজানুর রহমান সাঈদের জামিন বাতিল করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এই মামলায় আসামি পক্ষের অন্যতম আইনজীবী কে এম জুবায়ের জানান, আদালত সবকিছু বিশ্লেষণ করে একজন বাদে সবার জামিন মঞ্জুর করেছেন।
জামিনপ্রাপ্ত অপর আইনজীবীরা হলেন; বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মীর্জা রিয়াজ হোসেন, জেলা আদালতের পিপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন পান্না, সিনিয়র আইনজীবী ও বিএনপি নেতা মহসিন মন্টু, অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, অ্যাডভোকেট সাঈদ, অ্যাডভোকেট হাফিজ উদ্দিন বাবলু, অ্যাডভোকেট তারেক আল ইমরান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ইমন এবং অ্যাডভোকেট বসির উদ্দিন সবুজ।
গত বুধবার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার বাদী হয়ে ১২ জন আইনজীবীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানা-এ মামলা দায়ের করেন।

বরিশালে আদালতের এজলাসে ভাঙচুর এবং বিচারকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান লিংকনসহ ১১ আইনজীবী জামিন দিয়েছেন দ্রুত বিচার আদালত। তবে ১২ নম্বর আসামি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান সাঈদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ও দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক মিরাজুল ইসলাম রাসেল এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দ্রুত বিচার আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিজানুর রহমান।
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিরাজুল ইসলাম রাসেলের কোর্টে জামিন শুনানি হয়। শুনানি শেষে ১২ জন আইনজীবীর মধ্যে ১১ জনকে ২০০ টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হলেও ১২ নম্বর আসামি মিজানুর রহমান সাঈদের জামিন বাতিল করে তাকে জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এই মামলায় আসামি পক্ষের অন্যতম আইনজীবী কে এম জুবায়ের জানান, আদালত সবকিছু বিশ্লেষণ করে একজন বাদে সবার জামিন মঞ্জুর করেছেন।
জামিনপ্রাপ্ত অপর আইনজীবীরা হলেন; বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সম্পাদক মীর্জা রিয়াজ হোসেন, জেলা আদালতের পিপি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ, মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নাজিম উদ্দিন পান্না, সিনিয়র আইনজীবী ও বিএনপি নেতা মহসিন মন্টু, অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, অ্যাডভোকেট সাঈদ, অ্যাডভোকেট হাফিজ উদ্দিন বাবলু, অ্যাডভোকেট তারেক আল ইমরান, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ইমন এবং অ্যাডভোকেট বসির উদ্দিন সবুজ।
গত বুধবার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার বাদী হয়ে ১২ জন আইনজীবীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানা-এ মামলা দায়ের করেন।

সংবাদ সম্মেলনে রাশেদ প্রধান বলেন, “আমি যেই রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছি তা শুধুমাত্র আমার বক্তব্য অথবা দলীয় মুখপাত্র হিসেবে জাগপার বক্তব্য। এর সাথে আমাদের ১১ দলীয় ঐক্যের কোনা সম্পর্ক নাই। অতএব আমার বক্তব্যকে জামায়াত অথবা ১১ দলের বক্তব্য হিসেবে যারা প্রচার করছেন তারা ভুল করছেন।”