চরচা ডেস্ক

মানবপাচার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও এক/এগারোর আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ফের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ রোববার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান সাত দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করেন। এর আগেও একই মামলায় গত ২৪ মার্চ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ৫ দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। রিমান্ড শেষে তাকে পূনরায় আবারও ছয়দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, “এই মামলার এজাহারে তার নাম আছে এবং এই চক্রের সাথে জড়িত ১/১১ এর সময়ে এ আসামি ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদদের হেনস্তা করতেন।”
আসামিপক্ষের আইনজীবী ওহিদুল ইসলাম সজিব রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানি করেন। আইনজীবী ওহিদুল ইসলাম সজীব বলেন, “ইতোমধ্যে ৫ দিনের রিমান্ড পেয়েছেন। এফআইআরে নাম ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। পাঁচ দিনের রিমান্ডে তদন্ত কর্মকর্তা কি পেলেন। আদালতকে কি দিতে পারলেন তা কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ স্পষ্ট করতে পারেননি। আইন অনুযায়ী কেনো রিমান্ডে নেওয়া হবে। এ মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট আসছে সম্প্রতি।”
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বাদী আলতাব খান “আফিয়া ওভারসীজ” নামক রিক্রুটিং এজেন্সির স্বত্বাধিকারী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, ১ ও ২ নম্বর বিবাদীসহ একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট মাফিয়া চক্র বিদেশের শ্রমবাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে সাধারণ ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে ফেলে। সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা থাকলেও, এই সিন্ডিকেট প্রতি শ্রমিকের কাছ থেকে অতিরিক্ত দেড় লাখ টাকা করে আদায় করত। বাদীকে ব্যবসায় টিকে থাকতে হলে এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই কাজ করতে বাধ্য করা হতো। এভাবে ৮৪১ জন কর্মীর বিপরীতে বাদীর কাছ থেকে জোরপূর্বক ১২ কোটি ৫৬ লাখ ১ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের অসহযোগিতার কারণে বাদীর আরও ২০ কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়। এই চক্রটি বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির কাছ থেকে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা চাঁদা হিসেবে আদায় করেছে।
অভিযোগে আরও জানানো হয়েছে, বিবাদী পক্ষ বিভিন্ন দেশে শ্রমিক পাচার করে তাদের আটকে রাখা, কাজ না দেওয়া এবং বেতন না দিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। অনেক শ্রমিককে মানবেতর অবস্থায় শ্রম শোষণের শিকার হতে হয়েছে।
ডিবি পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. রায়হানুর রহমান আদালতকে জানান, আগের ৫ দিনের রিমান্ডে আসামির কাছ থেকে কিছু তথ্য পাওয়া গেলেও তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কৌশলে এড়িয়ে গেছেন। বিশেষ করে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রাপ্ত এজেন্সিগুলোর নির্বাচনের পদ্ধতি, এফডাব্লিউসিএমএসের অপারেশনাল কার্যক্রম, ২০২২-২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় পাঠানো কর্মীদের প্রকৃত তথ্য এবং আত্মসাৎকৃত বিশাল অংকের টাকা উদ্ধারের লক্ষ্যে তাকে পুনরায় ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।

মানবপাচার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও এক/এগারোর আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ফের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ রোববার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান সাত দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করেন। এর আগেও একই মামলায় গত ২৪ মার্চ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ৫ দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। রিমান্ড শেষে তাকে পূনরায় আবারও ছয়দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, “এই মামলার এজাহারে তার নাম আছে এবং এই চক্রের সাথে জড়িত ১/১১ এর সময়ে এ আসামি ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদদের হেনস্তা করতেন।”
আসামিপক্ষের আইনজীবী ওহিদুল ইসলাম সজিব রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন শুনানি করেন। আইনজীবী ওহিদুল ইসলাম সজীব বলেন, “ইতোমধ্যে ৫ দিনের রিমান্ড পেয়েছেন। এফআইআরে নাম ছাড়া কোনো নির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। পাঁচ দিনের রিমান্ডে তদন্ত কর্মকর্তা কি পেলেন। আদালতকে কি দিতে পারলেন তা কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ স্পষ্ট করতে পারেননি। আইন অনুযায়ী কেনো রিমান্ডে নেওয়া হবে। এ মামলায় ফাইনাল রিপোর্ট আসছে সম্প্রতি।”
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, বাদী আলতাব খান “আফিয়া ওভারসীজ” নামক রিক্রুটিং এজেন্সির স্বত্বাধিকারী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, ১ ও ২ নম্বর বিবাদীসহ একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট মাফিয়া চক্র বিদেশের শ্রমবাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে সাধারণ ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে ফেলে। সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা থাকলেও, এই সিন্ডিকেট প্রতি শ্রমিকের কাছ থেকে অতিরিক্ত দেড় লাখ টাকা করে আদায় করত। বাদীকে ব্যবসায় টিকে থাকতে হলে এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই কাজ করতে বাধ্য করা হতো। এভাবে ৮৪১ জন কর্মীর বিপরীতে বাদীর কাছ থেকে জোরপূর্বক ১২ কোটি ৫৬ লাখ ১ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের অসহযোগিতার কারণে বাদীর আরও ২০ কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়। এই চক্রটি বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির কাছ থেকে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকা চাঁদা হিসেবে আদায় করেছে।
অভিযোগে আরও জানানো হয়েছে, বিবাদী পক্ষ বিভিন্ন দেশে শ্রমিক পাচার করে তাদের আটকে রাখা, কাজ না দেওয়া এবং বেতন না দিয়ে জোরপূর্বক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। অনেক শ্রমিককে মানবেতর অবস্থায় শ্রম শোষণের শিকার হতে হয়েছে।
ডিবি পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মো. রায়হানুর রহমান আদালতকে জানান, আগের ৫ দিনের রিমান্ডে আসামির কাছ থেকে কিছু তথ্য পাওয়া গেলেও তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কৌশলে এড়িয়ে গেছেন। বিশেষ করে পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি প্রাপ্ত এজেন্সিগুলোর নির্বাচনের পদ্ধতি, এফডাব্লিউসিএমএসের অপারেশনাল কার্যক্রম, ২০২২-২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় পাঠানো কর্মীদের প্রকৃত তথ্য এবং আত্মসাৎকৃত বিশাল অংকের টাকা উদ্ধারের লক্ষ্যে তাকে পুনরায় ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।

টিকা কেনার জন্য নতুন করে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, “বিগত ৮ বছর কোনো সরকার হামের টিকা দেয়নি। এ কারণে সম্প্রতি দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে।”

একদিকে ক্ষুধার জ্বালায় প্রতি বছর বিশ্বে ৩০ লাখের বেশি শিশুর মৃত্যু হচ্ছে, অন্যদিকে উৎপাদিত খাদ্যের এক-তৃতীয়াংশই চলে যাচ্ছে ডাস্টবিনে। জাতিসংঘের খাদ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১৩০ কোটি টন খাবার অপচয় হয়। বাংলাদেশে এই পরিমাণ বছরে ১ কোটি ৪০ লাখ টন।