বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
বরিশাল প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) প্রশাসনিক জটিলতা ও সুস্পষ্ট নির্দেশনার অভাবে মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের থিসিস অনুদান আবারও ফেরত যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে প্রাপ্ত ২০ লাখ টাকা সময়মতো ব্যয় করতে না পেরে ফেরত পাঠানোর পর, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
চলতি অর্থবছরে অনুদান বণ্টনের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হলেও অর্থবছরের ছয় মাস পেরিয়ে গেছে। অথচ শিক্ষার্থীদের মাঝে অর্থ বণ্টনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, গত বছরের মতো এবারও নীতিমালার অভাব ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে ফাইলবন্দি হয়ে আছে গবেষণার অর্থ।
গণিত বিভাগের থিসিস শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ হোসাইন বলেন, “আমাদের থিসিস শেষের পথে, অথচ এখনো কোনো টাকা পাইনি। উপাচার্য স্যার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। আমরা দ্রুত নীতিমালা চূড়ান্ত করে অর্থ ছাড়ের দাবি জানাই।”
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. তৌফিক আলম জানান, “বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই বিভাগে নোটিশ পাঠানো হবে। শিক্ষার্থীরা আবেদন করলে বকেয়াসহ থিসিসের অর্থ প্রদান করা হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছর সংশোধিত বাজেটে টাকা আসায় সময়ের অভাবে তা ব্যবহার করা যায়নি। এবার সময় থাকলেও কমিটির মন্থর গতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) প্রশাসনিক জটিলতা ও সুস্পষ্ট নির্দেশনার অভাবে মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের থিসিস অনুদান আবারও ফেরত যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) থেকে প্রাপ্ত ২০ লাখ টাকা সময়মতো ব্যয় করতে না পেরে ফেরত পাঠানোর পর, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে।
চলতি অর্থবছরে অনুদান বণ্টনের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হলেও অর্থবছরের ছয় মাস পেরিয়ে গেছে। অথচ শিক্ষার্থীদের মাঝে অর্থ বণ্টনের কোনো কার্যকর উদ্যোগ এখনো দৃশ্যমান নয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, গত বছরের মতো এবারও নীতিমালার অভাব ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তহীনতার কারণে ফাইলবন্দি হয়ে আছে গবেষণার অর্থ।
গণিত বিভাগের থিসিস শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ হোসাইন বলেন, “আমাদের থিসিস শেষের পথে, অথচ এখনো কোনো টাকা পাইনি। উপাচার্য স্যার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। আমরা দ্রুত নীতিমালা চূড়ান্ত করে অর্থ ছাড়ের দাবি জানাই।”
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. তৌফিক আলম জানান, “বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। আগামী দুই-এক দিনের মধ্যেই বিভাগে নোটিশ পাঠানো হবে। শিক্ষার্থীরা আবেদন করলে বকেয়াসহ থিসিসের অর্থ প্রদান করা হবে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছর সংশোধিত বাজেটে টাকা আসায় সময়ের অভাবে তা ব্যবহার করা যায়নি। এবার সময় থাকলেও কমিটির মন্থর গতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।