চরচা ডেস্ক

কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত অন্তত ৯৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজ সোমবার জানিয়েছে। গত শুক্রবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা সর্বোচ্চ মৃত্যুর হারগুলোর একটি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবার পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া ২ হাজার ৩৪৪টি আক্রান্তের মধ্যে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা এপির বরাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
পূর্ব কঙ্গোতে গত ১৫ মে ঘোষিত এই ইবোলা প্রাদুর্ভাব এখন পর্যন্ত নথিভুক্ত সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাব। এই সংক্রমণের জন্য দায়ী বান্দিবুগিও ভাইরাস ইবোলার অন্যান্য ভাইরাসের তুলনায় কম পরিচিত। এর কোনো অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই।
ইবোলা অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ, যা বন্য প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। মানুষের মধ্যে এটি বমি, রক্ত বা বীর্যের মতো শারীরিক তরলের সংস্পর্শ এবং বিছানাপত্র ও পোশাকের মতো দূষিত জিনিসের মাধ্যমে ছড়ায়। রোগটি বিরল হলেও গুরুতর এবং প্রায়ই প্রাণঘাতী।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ইতুরি প্রদেশে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ইবোলা মোকাবিলার কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। বিদ্রোহী সহিংসতায় জর্জরিত পূর্বাঞ্চলের মোট পাঁচটি প্রদেশে এই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে।
কর্তৃপক্ষ শনিবার জানায়, মে মাসের মাঝামাঝি প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দলের ওপর অন্তত ১২টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার বেশির ভাগই ইবোলা নিয়ে সংশয় ও গুজব থেকে উৎসারিত। এদিকে বেতন না পাওয়ার প্রতিবাদে অনেক স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৩৬ জন স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) গত সপ্তাহে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, নতুন ইবোলা আক্রান্তদের ৮০ শতাংশই অজানা সংক্রমণ-শৃঙ্খল থেকে আসছে। এর অর্থ হলো, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও প্রাদুর্ভাবটি তাদের শনাক্ত করার গতির চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

কঙ্গোতে ইবোলা প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত অন্তত ৯৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজ সোমবার জানিয়েছে। গত শুক্রবার থেকে শনিবার পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা সর্বোচ্চ মৃত্যুর হারগুলোর একটি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবার পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া ২ হাজার ৩৪৪টি আক্রান্তের মধ্যে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
বার্তা সংস্থা ইউএনবি যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সংস্থা এপির বরাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
পূর্ব কঙ্গোতে গত ১৫ মে ঘোষিত এই ইবোলা প্রাদুর্ভাব এখন পর্যন্ত নথিভুক্ত সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাব। এই সংক্রমণের জন্য দায়ী বান্দিবুগিও ভাইরাস ইবোলার অন্যান্য ভাইরাসের তুলনায় কম পরিচিত। এর কোনো অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা নেই।
ইবোলা অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ, যা বন্য প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। মানুষের মধ্যে এটি বমি, রক্ত বা বীর্যের মতো শারীরিক তরলের সংস্পর্শ এবং বিছানাপত্র ও পোশাকের মতো দূষিত জিনিসের মাধ্যমে ছড়ায়। রোগটি বিরল হলেও গুরুতর এবং প্রায়ই প্রাণঘাতী।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ইতুরি প্রদেশে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ইবোলা মোকাবিলার কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। বিদ্রোহী সহিংসতায় জর্জরিত পূর্বাঞ্চলের মোট পাঁচটি প্রদেশে এই প্রাদুর্ভাব ছড়িয়েছে।
কর্তৃপক্ষ শনিবার জানায়, মে মাসের মাঝামাঝি প্রাদুর্ভাব ঘোষণার পর থেকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দলের ওপর অন্তত ১২টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার বেশির ভাগই ইবোলা নিয়ে সংশয় ও গুজব থেকে উৎসারিত। এদিকে বেতন না পাওয়ার প্রতিবাদে অনেক স্বাস্থ্যকর্মী কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
অন্যদিকে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৩৬ জন স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) গত সপ্তাহে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, নতুন ইবোলা আক্রান্তদের ৮০ শতাংশই অজানা সংক্রমণ-শৃঙ্খল থেকে আসছে। এর অর্থ হলো, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও প্রাদুর্ভাবটি তাদের শনাক্ত করার গতির চেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।