সিলেট প্রতিনিধি

এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজের বিকৃত ও ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর অভিযোগ এনেছেন সিলেটের কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফিয়া আক্তার বৃষ্টি। আজ বৃহস্পতিবার আদালত প্রাঙ্গণে এ অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।
বৃহস্পতিবার আদালত প্রাঙ্গণে দাড়িয়ে রাফিয়া গণমাধ্যমকে জানান, মাত্র আঠারো দিনের ব্যবধানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একাধিক বিকৃত ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। একের পর এক পোস্ট ও ফটোকার্ডে তিনি নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা প্রকাশ করেন।
রাফিয়া অভিযোগে জানান, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এসব করছে একটি গোষ্ঠী। এই বিষয়ে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছেন রাফিয়ার আইনজীবী।
রাফিয়া বলেন, “আমি কেবল নারী নই, আমি একজন মা। আমার বাচ্চা যদি বড় হয়ে এসব বিকৃত ছবি দেখে তাহলে কি মনে করবে। আমার বাবা হার্টের রোগী, বৃদ্ধ মানুষ। তিনি তো আর বুঝবেন না এগুলো এআই’র মাধ্যমে ছাড়নো হচ্ছে।”
রাফিয়া সিলেটি ভাষার কনটেন্ট তৈরি করে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসেন।
অজ্ঞাতনামা একজনকে আসামি করে সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে করা মামলার এজাহারে রাফিয়া অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে তার ছবি বিকৃত করে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করে মানহানির উদ্দেশ্য পোস্ট ছড়িয়ে ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে তাকে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আদালতে জমা দেওয়া এজাহার অনুযায়ী, গত ২৬ জুন থেকে ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে তার ছবি ব্যবহার করে একাধিক পোস্ট প্রকাশ করা হয়। এসব পোস্টে তার বিরুদ্ধে রোগে আক্রান্ত হওয়া, প্রতারণা, হানিট্র্যাপ, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা এবং অল্প সময়ে অবৈধভাবে সম্পদের মালিক হওয়ার মতো অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, একটি ফেসবুক গ্রুপে বিদেশে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নিয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ তুলে তার ছবি ব্যবহার করে পোস্ট করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও তথ্য ও ছবি প্রকাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
এজাহারের বাদীর দাবি অনুযায়ী, এসব তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শুধু তাই নয়, তার ফেসবুক আইডিতে বারবার রিপোর্ট করে কনটেন্টের স্বাভাবিক প্রচার ব্যাহত করার চেষ্টাও করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে রাফিয়া আক্তার বৃষ্টির আইনজীবী মো. জাবের হুসাইন বলেন, “সাইবার সুরক্ষা আইনের, ২০২৬ এর ২২, ২৫ এবং ২৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মক্কেলের ছবি এআই প্রযুক্তি দিয়ে সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করা হচ্ছে। আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান তিনি।”
মামলার নথিতে বলা হয়, প্রথমে থানায় অভিযোগ করতে গেলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। পরে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলে সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে পিটিশন দাখিল করেন বাদী।
সাইবার ট্রাইব্যুনাল, সিলেট সূত্রে জানা গেছে, মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারকে (গোয়েন্দা) ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত পূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজের বিকৃত ও ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর অভিযোগ এনেছেন সিলেটের কনটেন্ট ক্রিয়েটর রাফিয়া আক্তার বৃষ্টি। আজ বৃহস্পতিবার আদালত প্রাঙ্গণে এ অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি।
বৃহস্পতিবার আদালত প্রাঙ্গণে দাড়িয়ে রাফিয়া গণমাধ্যমকে জানান, মাত্র আঠারো দিনের ব্যবধানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একাধিক বিকৃত ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। একের পর এক পোস্ট ও ফটোকার্ডে তিনি নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা প্রকাশ করেন।
রাফিয়া অভিযোগে জানান, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এসব করছে একটি গোষ্ঠী। এই বিষয়ে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চেয়েছেন রাফিয়ার আইনজীবী।
রাফিয়া বলেন, “আমি কেবল নারী নই, আমি একজন মা। আমার বাচ্চা যদি বড় হয়ে এসব বিকৃত ছবি দেখে তাহলে কি মনে করবে। আমার বাবা হার্টের রোগী, বৃদ্ধ মানুষ। তিনি তো আর বুঝবেন না এগুলো এআই’র মাধ্যমে ছাড়নো হচ্ছে।”
রাফিয়া সিলেটি ভাষার কনটেন্ট তৈরি করে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসেন।
অজ্ঞাতনামা একজনকে আসামি করে সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে করা মামলার এজাহারে রাফিয়া অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে তার ছবি বিকৃত করে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করে মানহানির উদ্দেশ্য পোস্ট ছড়িয়ে ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে তাকে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আদালতে জমা দেওয়া এজাহার অনুযায়ী, গত ২৬ জুন থেকে ১৩ জুলাইয়ের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে তার ছবি ব্যবহার করে একাধিক পোস্ট প্রকাশ করা হয়। এসব পোস্টে তার বিরুদ্ধে রোগে আক্রান্ত হওয়া, প্রতারণা, হানিট্র্যাপ, অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা এবং অল্প সময়ে অবৈধভাবে সম্পদের মালিক হওয়ার মতো অভিযোগ ছড়ানো হয়েছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, একটি ফেসবুক গ্রুপে বিদেশে থাকা এক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নিয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ তুলে তার ছবি ব্যবহার করে পোস্ট করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও তথ্য ও ছবি প্রকাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
এজাহারের বাদীর দাবি অনুযায়ী, এসব তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। শুধু তাই নয়, তার ফেসবুক আইডিতে বারবার রিপোর্ট করে কনটেন্টের স্বাভাবিক প্রচার ব্যাহত করার চেষ্টাও করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে রাফিয়া আক্তার বৃষ্টির আইনজীবী মো. জাবের হুসাইন বলেন, “সাইবার সুরক্ষা আইনের, ২০২৬ এর ২২, ২৫ এবং ২৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মক্কেলের ছবি এআই প্রযুক্তি দিয়ে সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করা হচ্ছে। আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান তিনি।”
মামলার নথিতে বলা হয়, প্রথমে থানায় অভিযোগ করতে গেলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। পরে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলে সিলেটের সাইবার ট্রাইব্যুনালে পিটিশন দাখিল করেন বাদী।
সাইবার ট্রাইব্যুনাল, সিলেট সূত্রে জানা গেছে, মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনারকে (গোয়েন্দা) ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত পূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শামা ওবায়েদ বলেন, “ভিসা বন্ধ থাকার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। অনেক বাংলাদেশি বৈধ পথের পরিবর্তে অবৈধ পথে বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং দালাল চক্রের মাধ্যমে জাল বা ত্রুটিপূর্ণ কাগজপত্র ব্যবহার করেন। এসব সমস্যাও আমরা গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করছি।”

এ ব্যাপারে রাফিয়া আক্তার বৃষ্টির আইনজীবী মো. জাবের হুসাইন বলেন, “সাইবার সুরক্ষা আইনের, ২০২৬ এর ২২, ২৫ এবং ২৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলা নং- ১২৯/ ২০২৬। মক্কেলের ছবি এআই প্রযুক্তি দিয়ে সম্পাদনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করা হচ্ছে। আদালতের কাছে ন্যায়বিচার চান তিনি।”