নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চিকিৎসার কথা বলে স্ত্রীকে ডেকে এনে হত্যার অভিযোগে স্বামী নেজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাজউল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নেজাম উদ্দিন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পূর্ব জিরি গ্রামের মৃত কবির আহম্মদের ছেলে। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্ত্রীর হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ জুলাই রাতে চিকিৎসার জন্য স্ত্রী শাহানাজ বেগমকে হাসপাতালে ভর্তির কথা বলে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ওঠেন নেজাম। এর দুই দিন পর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে স্ত্রীর মরদেহ শ্বশুড়বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। সে সময় শাহানাজ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বলে দাবি করেন নেজাম।
পরবর্তীতে এ ঘটনায় শাহানাজ বেগমের ভাই আজগর আলী বাদী হয়ে নেজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, শাহানাজকে বহদ্দারহাটের হোটেলে এনে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।
মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় আজ আদালত এই রায় প্রদান করেন।

চিকিৎসার কথা বলে স্ত্রীকে ডেকে এনে হত্যার অভিযোগে স্বামী নেজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন চট্টগ্রামের একটি আদালত। আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তাজউল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত নেজাম উদ্দিন চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পূর্ব জিরি গ্রামের মৃত কবির আহম্মদের ছেলে। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্ত্রীর হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ১১ জুলাই রাতে চিকিৎসার জন্য স্ত্রী শাহানাজ বেগমকে হাসপাতালে ভর্তির কথা বলে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ওঠেন নেজাম। এর দুই দিন পর একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে স্ত্রীর মরদেহ শ্বশুড়বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। সে সময় শাহানাজ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বলে দাবি করেন নেজাম।
পরবর্তীতে এ ঘটনায় শাহানাজ বেগমের ভাই আজগর আলী বাদী হয়ে নেজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, শাহানাজকে বহদ্দারহাটের হোটেলে এনে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।
মামলায় মোট ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় আজ আদালত এই রায় প্রদান করেন।

জাহেদ উর রহমান বলেন, “তথ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো অপতথ্য ও ভুল তথ্য মোকাবিলা করা। বিশেষ করে পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো অপতথ্য নিয়ে সরকার অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার বুলিং, বিশেষ করে নারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে যে হয়রানি চালানো হয়, সেটিও সরকারের গভীর উদ্বেগের বিষয়।”