Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
২৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ | স্বত্ব © চরচা
> সংক্ষেপে

সাংবাদিক সোহেলকে সাড়ে ১০ ঘণ্টা আটকে রাখা ‘ভুল বোঝাবুঝি’: ডিবি

চরচা প্রতিবেদক

চরচা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৩: ২৩
সাংবাদিক সোহেলকে সাড়ে ১০ ঘণ্টা আটকে রাখা ‘ভুল বোঝাবুঝি’: ডিবি

সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলকে মধ্যরাতে তুলে নিয়ে ১০ ঘণ্টা আটকে রাখার ঘটনা নিছক ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে দাবি করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) দায়িত্বে থাকা ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, প্রেস রিলিজে নিজের নম্বর দেওয়ার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।

Advertisement

আজ বুধবার চরচাকে এসব কথা জানিয়েছেন শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, যখন বোঝা গেছে, ভুল হয়েছে, তখন সাংবাদিক সোহেলকে বাসায় নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, “মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি) নামক একটি সংগঠনের সভাপতিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করতে গিয়ে সাংবাদিক মিজানুর রহমান সোহেলকে তার বাসা থেকে তুলে আনা হয়। পরে সেই ভুল বোঝাবুঝির অবসান হলে, সাংবাদিককে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়।”

সাড়ে ১০ ঘণ্টা পর ডিবি হেফাজত থেকে বাসায় ফিরলেন সাংবাদিক সোহেলmizanur-rahman-sohel

ডিবি প্রধান বলেন, “এমবিসিবি নামের একটি সংগঠন সম্পর্কে খোঁজ খবর নিচ্ছিলাম। সংগঠনটির উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের কাছে নেতিবাচক রিপোর্ট আছে, তা তদন্ত করতে এটির সঙ্গে জড়িতদের আমরা খুঁজছিলাম। এই সাংবাদিক সাহেব তার পেশাগত কাজের পাশাপাশি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজও করেন এবং এই সংগঠনটির একটি প্রেস কনফারেন্সের আয়োজনও তিনিই করছিলেন। তার অংশ হিসেবে মিডিয়াকে দাওয়াত দিতে প্রেস রিলিজ তিনি নিজেই লেখেন এবং সভাপতির নামের পর নিজের নম্বর দিয়ে দেন। গোয়েন্দা টিম ওই নম্বরের সূত্র ধরে সংগঠনের সভাপতি মনে করে সাংবাদিক সাহেবকে নিয়ে আসে। আমরা যখন বুঝলাম ভুল ব্যক্তিকে আনা হয়েছে তখনই তাকে তার বাসায় নামিয়ে দিয়ে আসা হয়েছে।”

Advertisement
Advertisement
Advertisement

এদিকে, আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে দৈনিক ভোরের কাগজের অনলাইন হেড এবং অনলাইন এডিটর অ্যালায়েন্সের সাধারণ সম্পাদক সোহেল দাবি করেন, “গত রাত ১২টার দিকে ডিবি প্রধান আমার সঙ্গে কথা বলবেন, এই অজুহাতে ৫/৬ জন ডিবি সদস্য জোর করে আমাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। ডিবিতে নিয়ে আসামীর খাতায় আমার নাম লেখা হয়। জুতা-বেল্ট খুলে রেখে গারদে আসামীদের সাথে আমাকে রাখা হয়। কিন্তু কেন আমাকে আটক করা হলো? তা আমি যেমন জানতাম না, তেমনি যারা আমাকে তুলে এনেছিলেন বা ডিবির উর্দ্ধতন কর্মকর্তারাও কিছু বলতে পারেননি। দীর্ঘ সময় পর বুঝতে পারলাম, সরকারের একজন উপদেষ্টার ইশারায় মাত্র ৯ জন মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীকে মনোপলি ব্যবসা করার সুযোগ দেয়ার জন্যই আমাকে আটক করা হয়েছিল। আমার সাথে সংগঠনের সেক্রেটারি আবু সাঈদ পিয়াসকেও আটক করা হয়। তিনি এখনও ডিবি কার্যালয়ে আছেন।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা শফিকুল চরচাকে বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে সাংবাদিককে তুলে আনার কোনো সম্পর্ক নেই, আমরা যদি তার এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পেতাম তাহলে তাকে অবশ্যই তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাবাদ করা হত। আর তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন প্রেস রিলিজে সভাপতির নামের পর তার নিজের নম্বর দেওয়া উচিত হয়নি। তিনি নাকি এআই দিয়ে প্রেস রিলিজটি লিখেছেন তাই এমন ভুল হয়েছে।”

শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি বলতে চাই, আমাদের কাজ হল বেআইনি বা দেশের জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজের বিপরীতে অবস্থান নেওয়া। এই কাজের জন্য কারোর ইনফ্লুয়েন্স দরকার পড়ে না। আপনারা জানেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে অবৈধ মোবাইল বন্ধ করার লক্ষ্যে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) নামের একটি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এটা হলে মোবাইল চুরি অনেক কমে যাবে, একজনের পরিচয় ব্যবহার করে আরেকজনের অপরাধ করার সুযোগ বন্ধ হবে এছাড়াও আরও অনেক সুবিধা আছে। এই সংগঠনটি সরকারের এই ইতিবাচক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। আপনারাই বিবেচনা করুন তাদের উদ্দেশ্য কী? অবৈধ ফোন, চোরাই ফোনের বাজার উন্মুক্ত থাকলে কাদের লাভ হবে? দেশের স্বার্থ রক্ষায় আইন তার নিজের মত চলবে এটিকে বাধাগ্রস্থ করা সমীচিন নয়।”

বিষয়: গোয়েন্দা পুলিশডিবিগ্রেপ্তারসাংবাদিকঅপরাধ
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

  • ২

    নারী উদ্যোক্তা গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ব্লাস্ট ও নারীপক্ষের

  • ৩

    ‘মিডিয়ার সামনে বলতে চাই না একটা সমস্যা আছে

  • ৪

    চুয়েটে ৩৬ দিন পর ক্লাসে ফিরলেন শিক্ষার্থীরা

  • ৫

    প্রিজন ভ্যানে পলক শোনালেন ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’

সম্পর্কিত
  • নারী উদ্যোক্তা গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ব্লাস্ট ও নারীপক্ষের

    নারী উদ্যোক্তা গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ব্লাস্ট ও নারীপক্ষের

    নারী উদ্যোক্তার বক্তব্যের পর স্থানীয় নেতা-কর্মীরা তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় এবং আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

  • চুয়েটে ৩৬ দিন পর ক্লাসে ফিরলেন শিক্ষার্থীরা

    চুয়েটে ৩৬ দিন পর ক্লাসে ফিরলেন শিক্ষার্থীরা

    চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) উপাচার্য বদলের আন্দোলনের মধ্যেই ৩৬ দিন পর ক্লাসে ফিরেছেন শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার সকাল থেকে চুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ক্লাস শুরু হলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা কম ছিল । তবে চুয়েটের অন্য ১১টি বিভাগে ক্লাস শুরু হয়নি।

  • নাটোরে সংসদ সদস্যের ছেলেকে যুবদল থেকে বহিষ্কার, ওসি প্রত্যাহার

    নাটোরে সংসদ সদস্যের ছেলেকে যুবদল থেকে বহিষ্কার, ওসি প্রত্যাহার

    হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ গত সোমবার নুরুজ্জামান মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে। পরে মঙ্গলবার রাতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।

  • ৭ দিনের জন্য ঢাকা মেডিকেলে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট স্থগিত

    ৭ দিনের জন্য ঢাকা মেডিকেলে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট স্থগিত

    ঢামেক হাসপাতাল চত্বরে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের স্থায়ী পার্কিংয়ের দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে আকস্মিক ধর্মঘটের ডাক দেয় মালিক সমিতি। এতে রোগী ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগের আশঙ্কা তৈরি হয়, বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে।