Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
১৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> এক্সপ্লেইনার

গাজার আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীতে পাকিস্তান কি যোগ দেবে

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ নভেম্বর ২০২৫, ১৪: ৩২
গাজার আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীতে পাকিস্তান কি যোগ দেবে

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আমেরিকা প্রস্তাবিত যে প্রস্তাবটি গাজায় একটি ‘আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী’ (আইএসএফ) গঠনের পথ তৈরি করেছে, তাতে পাকিস্তানের অবস্থান নিয়ে এখন দেশ-বিদেশে আলোচনা চলছে। প্রস্তাবের সমর্থন জানিয়ে ভোট দিয়েছে পাকিস্তান। তবে একইসঙ্গে জানিয়েছে, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে পরিষ্কার নয় তারা। এ কারণে পাকিস্তান সেই বাহিনীতে যোগ দেবে কি না–তা নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে।

Advertisement

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

জটিল কূটনৈতিক হিসেবের সামনে ইসলামাবাদ

জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমেদ স্বীকার করেছেন, তারা আমেরিকাকে ধন্যবাদ দিলেও প্রস্তাবে পাকিস্তানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ অন্তর্ভুক্ত হয়নি। বিশেষ করে গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন, বোর্ড অব পিসের ক্ষমতা এবং আইএসএফের ভূমিকা পরিষ্কার নয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তবে সেপ্টেম্বরেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা সমর্থন করেছিল পাকিস্তান। দেশটিতে বিশ্বের অন্যতম বড় সামরিক বাহিনী থাকায় অনেকে মনে করছেন, গাজা আন্তর্জাতিক বাহিনীতে পাকিস্তান বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তান এখন অত্যন্ত সতর্কভাবে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখছে। আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের মূল মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার রাখা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি দেশের ভেতরের জনমতও তাদের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলবে।

মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব

সাম্প্রতিক সময়গুলোতে পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্ব জর্ডান, মিসর, সৌদি আরবসহ বহু মধ্যপ্রাচ্য দেশের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে বৈঠক করেছে। সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তান সম্প্রতি ‘স্ট্র্যাটেজিক মিউচুয়াল ডিফেন্স এগ্রিমেন্ট করেছে, যা পাকিস্তানকে এই অঞ্চলের নিরাপত্তা জোটে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের আমেরিকা সফর, ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বৈঠক–এসব ইঙ্গিত দেয় যে, দেশটি এখন বৈশ্বিক কূটনৈতিক মঞ্চে আবার গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হয়ে উঠছে।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই আবার গাজায় হামলাইসরায়েল–হামাস

সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত কতটা সংবেদনশীল

ইসরায়েলের সঙ্গে পাকিস্তানের কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। দেশটির পাসপোর্টে স্পষ্টভাবে লেখা–ইসরায়েলে ভ্রমণ নিষিদ্ধ। ফলে গাজায় যদি কোনোভাবে পাকিস্তানকে ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করতে হয়, তা দেশটির ভেতরে বড় রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।

অনেক বিশ্লেষক বলছেন, পাকিস্তান যদি আইএসএফে যোগ দেয়, তবে এটি মানবিক সহায়তা, যুদ্ধবিরতি রক্ষা এবং বেসামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো সীমিত দায়িত্বে থাকতে পারে। সরাসরি ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় অন্য দেশগুলো করবে–এমন সম্ভাবনাও রয়েছে।

আইন ও নিরাপত্তাগত অস্পষ্টতা

জাতিসংঘের প্রস্তাবনায় এখনো পরিষ্কার নয় আইএসএফের কাঠামো কী হবে, কোন দেশের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে, বা গাজায় নিরস্ত্রীকরণ কীভাবে বাস্তবায়িত হবে। হামাস ইতিমধ্যে বলেছে, তারা কোনো আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধান বা নিরস্ত্রীকরণ পরিকল্পনা মেনে নেবে না।

এদিকে আমেরিকা ইতিমধ্যে গাজা সীমান্তের কাছে একটি সমন্বয় কেন্দ্র স্থাপন করেছে, যা ভবিষ্যৎ আইএসএফ অপারেশনের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

অর্থনীতি ও জোটের চাপ

পাকিস্তানের অর্থনৈতিক সংকট এবং যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় শক্তিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার প্রয়োজন তাদের আইএসএফে যোগ দিতে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান তার প্রভাবশালী মিত্রদের অনুরোধ সহজে ফিরিয়ে দিতে পারে না।

তবে অনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নেবে খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমেই। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ, সংসদ এবং সামরিক বাহিনী–সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো সিদ্ধান্তে যুক্ত থাকবে।

গাজার শান্তিরক্ষা বাহিনীতে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ হবে কি না, এ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে। তবে বিষয়টি শুধু একটি সামরিক সিদ্ধান্ত নয়। এটি পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, ধর্মীয় অনুভূতি এবং অর্থনৈতিক হিসাব– সবকিছুর ওপর নির্ভর করছে। আগামী কয়েক সপ্তাহেই এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত মিলতে পারে।

বিষয়: পাকিস্তানসৌদি আরবজর্ডানজাতিসংঘনিরাপত্তাডোনাল্ড ট্রাম্পগাজা উপত্যকামিসরইসরায়েল
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    ট্রাম্প যে কারণে ছাড় দিচ্ছেন পুতিনকে

  • ২

    দীর্ঘ বিলম্বের পর চালু হচ্ছে চীন-উত্তর কোরিয়ার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী সেতু

  • ৩

    যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলার মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ

  • ৪

    ধর্মঘট প্রত্যাহার এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের

  • ৫

    ৯ নভেম্বর বসছে সংসদের চতুর্থ অধিবেশন

সম্পর্কিত
  • বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন অবস্থায়?

    বাংলাদেশের অর্থনীতি কোন অবস্থায়?

    ২০২৩ সাল থেকেই ধীরগতি বাংলাদেশের অর্থনীতির। এমনটা বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাংকের গত ৬ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে।

  • শিগগিরই চরম সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ

    শিগগিরই চরম সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব অর্থনীতি: আইএমএফ

    আইএমএফ বলেছে, গত ছয় মাসে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মধ্যেও বিশ্ব অর্থনীতি আশঙ্কার চেয়ে ভালোভাবে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে পেরেছে। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে বিকল্প পথে তেল সরবরাহ করা এবং জরুরি প্রয়োজনে মজুত রাখা জ্বালানি বাজারে ছাড়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের প্রভাব তেলের দামের ওপর সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে।

  • হুতিদের নিশানায় কেন সৌদির বিমানবন্দর?

    হুতিদের নিশানায় কেন সৌদির বিমানবন্দর?

    গত কয়েকদিন ধরে সৌদি আরবের ভেতরে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। সেপ্টেম্বরে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে হুতিরা

  • একাডেমিক গবেষণায় সরকারি অনুদান দেয় কারা?

    একাডেমিক গবেষণায় সরকারি অনুদান দেয় কারা?

    মানবসমাজের অগ্রগতির অন্যতম মূল ভিত্তি গবেষণা। নিত্য নতুন উদ্ভাবন, চলমান সমস্যার সমাধানে দেশে নানা রকম গবেষণা হয়ে আসছে। আর এই গবেষণার অর্থায়ন করে দেশের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক গবেষণায় অনুদান দেয় বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান। স্নাতকোত্তর, পিএইচডি, এ