Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

দেশে গাভীর দুধ কমছে কেন?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ১৮: ৪০
দেশে গাভীর দুধ কমছে কেন?

দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি, পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং কর্মসংস্থানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে দুগ্ধ খাত। এই খাত জাতীয় জিডিপিতে প্রায় ২ দশমিক ৭৩ শতাংশ অবদান রাখছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট দুধ উৎপাদন ১ কোটি ৬ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টনে পৌঁছায়। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা আরো বেড়ে আনুমানিক ১ কোটি ৩০ লাখ ৭ হাজার টনে পৌঁছেছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, বাংলাদেশের ডেইরি বাজারের আকার প্রায় ২৪৭ কোটি মার্কিন ডলার। প্রতি বছর এই খাত ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সম্ভাবনাময় এই দুগ্ধ খাতে ব্রুসেলোসিস একটি নীরব কিন্তু বড় অর্থনৈতিক হুমকি হয়ে উঠেছে। এ রোগে আক্রান্ত দুগ্ধবতী গাভীর দৈনিক গড়ে প্রায় এক লিটার দুধ উৎপাদন কমে যায়। প্রায় দুই হাজার ৭০০ গাভীর ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, এ কারণে খামারিরা প্রতি বছর প্রায় আড়াই কোটি টাকার অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক দুই বছর ধরে পরচালিত গবেষণায় এই তথ্য পেয়েছেন বলে আজ রোববার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ইউএনবি।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

সরকারের লাইভস্টক অ্যান্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (এলডিডিপি) অর্থায়নে এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় পরিচালিত গবেষণাটি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী অ্যানিমেল ডিজিজে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষক দল ইউএনবিকে জানান, খামারিরা সাধারণত গাভীর গর্ভপাত হলেই ব্রুসেলোসিসের কথা ভাবেন। কিন্তু লক্ষণহীন সুপ্ত সংক্রমণেও গাভীপ্রতি দৈনিক গড়ে প্রায় আধা লিটার এবং সক্রিয় সংক্রমণে প্রায় এক লিটার বা তারও বেশি দুধ উৎপাদন কমে যায়। ফলে খামারিরা না বুঝেই প্রতিদিন বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

গবেষকরা পরামর্শ দেন, খামারে গর্ভপাত, গর্ভফুল আটকে যাওয়া, গাভী গরম না হওয়া বা বারবার প্রজননে ব্যর্থতার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ভেটেরিনারিয়ানের পরামর্শ নিয়ে পরীক্ষা করানো উচিত।

গবেষণার নেতৃত্ব দেন বাকৃবির মেডিসিন বিভাগের ল্যাবরেটরি অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড প্রিভেন্টিভ মেডিসিনের অধ্যাপক ড. এ কে এম আনিসুর রহমান। গবেষক দলে ছিলেন- একই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যাপক ড. এম আরিফুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও পিএইচডি গবেষক ডা. মো. শফিউল আলম, মাস্টার্স শিক্ষার্থী মো. নাজমুল ইসলাম লিজান, বিশ্ব জ্যোতি অধিকারী, শান্তা ইসলাম, আর এস মাহমুদ হাসান এবং মিল্কভিটার ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ও পিএইচডি গবেষক মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান।

অধ্যাপক ড. এ কে এম আনিসুর রহমান বলেন, “সক্রিয় ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত একটি গাভী সুস্থ গাভীর তুলনায় দৈনিক গড়ে ১ দশমিক ০১ লিটার এবং সুপ্ত সংক্রমণে আক্রান্ত গাভী ০ দশমিক ৫৩ লিটার কম দুধ দেয়।”

গবেষণা পদ্ধতি সম্পর্কে তিনি বলেন, “২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রধান দুধ উৎপাদনকারী অঞ্চলের ১৭টি বড় বাণিজ্যিক খামারের দুই হাজার ৬৯৬টি দুগ্ধবতী গাভীর তথ্য ও দুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আধুনিক ল্যাব পরীক্ষার পাশাপাশি ‘বায়েসিয়ান মিক্সড-ইফেক্টস মাল্টিনোমিয়াল রিগ্রেশন’ পদ্ধতি ব্যবহার করে গাভীগুলোকে সুস্থ, সুপ্ত সংক্রমণ এবং সক্রিয় ব্রুসেলোসিসে আক্রান্ত- এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।”

অধ্যাপক আনিসুর রহমান বলেন, “সাধারণত ব্রুসেলোসিসকে শুধু ‘সুস্থ’ বা ‘আক্রান্ত’- এই দুইভাবে বিবেচনা করা হলেও এ গবেষণায় প্রথমবারের মতো সুপ্ত সংক্রমণকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাইরে থেকে সুস্থ মনে হলেও এ ধরনের গাভীর দুধ উৎপাদন কমে যায় এবং পরবর্তীতে রোগটি সক্রিয় হওয়ার ঝুঁকি থাকে।”

রোগ শনাক্তে ব্যবহৃত আধুনিক গাণিতিক বিশ্লেষণে বাকৃবির গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছেন গ্রিসের থেসালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ লেফটেরিস মেলেটিস ও পলিক্রোনিস কস্তুলাস।

গবেষণার অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড় বাণিজ্যিক ডেইরি খামারগুলোতে শুধু ব্রুসেলোসিসের কারণে বছরে গড়ে প্রায় দুই কোটি ৪১ লাখ টাকার ক্ষতি হতে পারে, যার বড় অংশই দুধ উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে হয়।

ক্ষতি কমানোর উপায় নিয়ে অধ্যাপক আনিসুর রহমান বলেন, “অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে পরিকল্পিত গণটিকাদানকে সবচেয়ে লাভজনক পদ্ধতি হিসেবে পাওয়া গেছে। এতে প্রতি ১ টাকা বিনিয়োগে গড়ে ৮ টাকা ১৪ পয়সা পর্যন্ত ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। তবে আক্রান্ত গরু শনাক্ত করে খামার থেকে বাদ দেওয়ার পদ্ধতি সরকারি ভর্তুকি ছাড়া সাধারণ খামারিদের জন্য ব্যয়বহুল।”

গবেষক দলের সদস্য ও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শফিউল আলম বলেন, “ব্রুসেলোসিস মানুষের জন্যও একটি বিপজ্জনক জুনোটিক রোগ। আক্রান্ত গরুর কাঁচা দুধ পান করা বা সংক্রমিত প্রাণীর সংস্পর্শে এলে মানুষও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে ব্রুসেলোসিস নিয়ন্ত্রণে উচ্চ ঝুঁকির গাভী দ্রুত শনাক্তকরণ, নিয়মিত রোগ নজরদারি, প্রজনন স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার এবং বড় খামারের পাশাপাশি ছোট খামারগুলোতেও এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।”

বিষয়: অর্থনীতিখামাররোগগরুগবেষণা
সর্বশেষ
  • ১

    সিএমএসএমই খাতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

  • ২

    উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে সিকৃবিতে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত

  • ৩

    ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ভোট ২৯ অক্টোবর

  • ৪

    হত্যা মামলায় আবার গ্রেপ্তার দেখানো হলো কলিমুল্লাহকে

  • ৫

    মনপুরায় মেঘনার পাড়ে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবক উদ্ধার

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।