Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
Advertisement
Advertisement
> এক্সপ্লেইনার

খামেনি-লারিজানির মৃত্যুতেও অবিচল ইরান, নেপথ্যে কী?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৯: ২৫
খামেনি-লারিজানির মৃত্যুতেও অবিচল ইরান, নেপথ্যে কী?

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন যে, নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিসহ শীর্ষস্থানীয় ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড তেহরান সরকারের জন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাঘচি ব্যাখ্যা করেন যে, ইরানের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠানের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, কোনো ব্যক্তির ওপর নয়।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, শীর্ষ নেতাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এই ব্যবস্থাকে টলাতে পারবে না, যা সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের পরেও সচল রয়েছে।

গত মঙ্গলবার ইরানি কর্তৃপক্ষ লারিজানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করার পর এই বিবৃতিটি আসে। লারিজানি ছিলেন একজন শীর্ষ ইরানি নিরাপত্তা কর্মকর্তা এবং দেশটির ধর্মতন্ত্রের অন্যতম রক্ষণশীল শক্তি। একটি ইসরায়েলি হামলায় তিনি, তার ছেলে মোর্তজা এবং তার এক সহযোগী নিহত হন। অন্য একটি ইসরায়েলি হামলায় বাসিজ মিলিশিয়ার প্রধান গোলামরেজা সোলেইমানিও নিহত হন।

আল জাজিরাকে আরাঘচি বলেন, ‘‘আমি জানি না কেন আমেরিকান এবং ইসরায়েলিরা এখনো এই বিষয়টি বুঝতে পারেনি। ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক কাঠামো রয়েছে, যেখানে সুপ্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠান বিদ্যমান।’’

Advertisement
Advertisement
Advertisement

তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘একক কোনো ব্যক্তির উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি এই কাঠামোকে প্রভাবিত করে না। অবশ্যই ব্যক্তিরা প্রভাবশালী এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ ভূমিকা পালন করেন—কেউ ভালো, কেউ খারাপ, কেউ বা কম—কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইরানের রাজনৈতিক ব্যবস্থা একটি অত্যন্ত সুদৃঢ় কাঠামো।’’

ইরানি সামরিক বাহিনী ‘মোজাইক ডিফেন্স’ তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে গঠিত, যা বছরখানেক আগে ইরানি যুদ্ধকৌশলী মোহাম্মদ আলী জাফারি তৈরি করেছিলেন। এর আগে এক বিবৃতিতে আরাঘচি ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশলকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পরাজয় নিয়ে দুই দশকের গবেষণার ফসল হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়ার কয়েকদিন পর তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমরা সেই অনুযায়ী শিক্ষা গ্রহণ করেছি। আমাদের রাজধানীতে বোমা হামলার ফলে আমাদের যুদ্ধ করার সক্ষমতায় কোনো প্রভাব পড়ে না। বিকেন্দ্রীভূত মোজাইক ডিফেন্স আমাদের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দেয় যে যুদ্ধ কখন এবং কীভাবে শেষ হবে।’’

ইরানের মোজাইক ডিফেন্স কী?

মোজাইক ডিফেন্স হলো ইরানের একটি সামরিক কৌশল, যার মূল ধারণা হলো দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে একক কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের বদলে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আংশিক স্বায়ত্তশাসিত ইউনিটে ভাগ করে সংগঠিত করা। এর ফলে কোনো শীর্ষ নেতাকে হত্যার মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থাটি অচল করা সম্ভব হয় না।

এই মডেলের অধীনে ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি), বাসিজ, নিয়মিত সেনাবাহিনী, ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনী, নৌ সম্পদ এবং স্থানীয় কমান্ড কাঠামোগুলো একটি বণ্টিত ব্যবস্থার অংশ হিসেবে কাজ করে। যদি একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে অন্যগুলো সচল থাকে; আর যদি উচ্চপদস্থ নেতারা নিহত হন, তবে মূল চেইনটি ভেঙে পড়ে না।

আইআরজিসি ৩১টি প্রাদেশিক কমান্ডে বিভক্ত এবং প্রতিটি প্রাদেশিক কমান্ড নিজস্ব অস্ত্র, গোয়েন্দা সংস্থা এবং কমান্ড সিস্টেমসহ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ সামরিক ইউনিট হিসেবে কাজ করে। যদি শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তবে এই তত্ত্ব স্থানীয় ইউনিটগুলোকে নিজস্ব সিদ্ধান্তে কাজ করার ক্ষমতা ও সক্ষমতা প্রদান করে।

ইরানি সামরিক সংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ ড. মাইকেল কনেল বলেন, ‘‘এই পুনর্গঠনটি এমনভাবে করা হয়েছে যাতে "ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার যেকোনো প্রচেষ্টাকে অত্যন্ত কঠিন করে তোলা যায়।’’

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা, এএফপি, এনডিটিভি

বিষয়: আমেরিকাহামলাইরানইসরায়েলপররাষ্ট্রমন্ত্রী
সর্বশেষ
  • ১

    ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট

  • ২

    খুলনায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

  • ৩

    ধানমন্ডি ২৭ নম্বরে আগুন, সবশেষ যা জানা গেল

  • ৪

    হানিট্র্যাপে ফেলে শিক্ষককে জিম্মি, গ্রেপ্তার ৪

  • ৫

    ই-সিগারেটসহ নতুন তামাকপণ্য ব্যবহারকারী সাড়ে ৫% তরুণ: গবেষণার ফল

সম্পর্কিত
  • গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমের ঘটনায় কী সুরক্ষা দিচ্ছে নতুন আইন

    গুমকে আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপসযোগ্য নয় এমন ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে তিন দিন আগে পাস হয়েছে। বিলে গুমের অভিযোগ করা, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা, বিচার এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের প্রতিকারের জন্য আইনি কাঠামো রাখা হয়েছে।

  • নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    নতুন মানবাধিকার কমিশন আইনে যা আছে

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও ‘স্বাধীনভাবে’ পরিচালনা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্ত ও প্রতিকারের সুযোগ রেখে নতুন আইন করা হয়েছে। নতুন আইনে কমিশনের গঠন, নিয়োগ, অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত, ক্ষতিপূরণ, ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ইউনিট গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। তবে শৃঙ্খলা বাহিনীর বির

  • সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    সম্পত্তি হস্তান্তর নিয়ে কী আছে সংশোধিত আইনে

    উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি দান করলেও দাতা চাইলে নিজের জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের অধিকার রেখে দিতে পারবেন। এ জন্য নিবন্ধিত দলিলে দাতার জীবনকালীন ভোগস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।

  • সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউট, আপত্তি কোথায়?

    জাতীয় সংসদে ‘ট্রান্সফার অব প্রপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ নিয়ে তীব্র বিতর্কের পর ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। সন্তানের নামে জমি বা সম্পত্তি নিবন্ধনের পরও বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে বিলে।