চরচা ডেস্ক

এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ ‘মোস্ট সাস্টেইনেবল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি অব দি ইয়ার’ স্বীকৃতিতে ভূষিত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, টেকসই ব্যবসায়ীক অনুশীলন এবং দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করতে কোম্পানিটির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এই অ্যাওয়ার্ড।
এছাড়াও নেটওয়ার্ক অপারেশনে জ্বালানি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোয় ‘মোস্ট সাস্টেইনেবল এনার্জি ইনিশিয়েটিভ অব দি ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ডও জিতেছে কোম্পানিটি।
গ্রামীণফোনের ব্যবসায়ীক কর্মপদ্ধতিতে প্রতিনিয়ত পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসন সম্পর্কিত (ইএসজি) মূলনীতির সমন্বয়ের প্রতিফলন এই স্বীকৃতি। জলবায়ু সচেতন পদক্ষেপ, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিকরণ, দায়িত্বশীলভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং কমিউনিটির ক্ষমতায়নকে এগিয়ে নেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেকসই অগ্রগতির পথচলায় নিরন্তর অবদান রাখছে অপারেটরটি।
২০১৯ সালকে ভিত্তি বছর ধরে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে গ্রামীণফোন। পাশাপাশি নেটওয়ার্ক অপারেশনে পরিবেশবান্ধব এবং আরো জ্বালানি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রেখেছে তারা।
স্বীকৃতির ব্যাপারে গ্রামীণফোনের হেড অব এনভায়রনমেন্ট, সোশ্যাল ও গভর্ন্যান্স (ইএসজি) ফারহানা ইসলাম বলেন, “আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা, উদ্ভাবন এবং দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করা- সকল ক্ষেত্রে টেকসই অগ্রযাত্রার ব্যাপারে গ্রামীণফোনের প্রতিশ্রুতিকে আরও সংহত করলো ’মোস্ট সাস্টেইনেবল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি অব দি ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ডটি। ’মোস্ট সাস্টেইনেবল এনার্জি ইনিশিয়েটিভ অব দি ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ডটি পেয়েও আমরা আনন্দিত, যা আরও জ্বালানি সাশ্রয়ী ও টেকসই ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তুলতে আমাদের প্রচেষ্টার প্রতিফলন। আমাদের প্রচেষ্টায় স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা গর্বিত। মানুষ, সমাজ ও পৃথিবীর জন্য আরও নিরাপদ ও স্মার্ট ভবিষ্যত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের টেকসই অগ্রগতির পথচলায় অবদান রাখতে আমাদের পার্টনারদের সাথে কাজ করে যাব আমরা।”

এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ ‘মোস্ট সাস্টেইনেবল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি অব দি ইয়ার’ স্বীকৃতিতে ভূষিত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী কোম্পানি গ্রামীণফোন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, টেকসই ব্যবসায়ীক অনুশীলন এবং দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করতে কোম্পানিটির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এই অ্যাওয়ার্ড।
এছাড়াও নেটওয়ার্ক অপারেশনে জ্বালানি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোয় ‘মোস্ট সাস্টেইনেবল এনার্জি ইনিশিয়েটিভ অব দি ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ডও জিতেছে কোম্পানিটি।
গ্রামীণফোনের ব্যবসায়ীক কর্মপদ্ধতিতে প্রতিনিয়ত পরিবেশগত, সামাজিক ও সুশাসন সম্পর্কিত (ইএসজি) মূলনীতির সমন্বয়ের প্রতিফলন এই স্বীকৃতি। জলবায়ু সচেতন পদক্ষেপ, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিকরণ, দায়িত্বশীলভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং কমিউনিটির ক্ষমতায়নকে এগিয়ে নেয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের টেকসই অগ্রগতির পথচলায় নিরন্তর অবদান রাখছে অপারেটরটি।
২০১৯ সালকে ভিত্তি বছর ধরে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে গ্রামীণফোন। পাশাপাশি নেটওয়ার্ক অপারেশনে পরিবেশবান্ধব এবং আরো জ্বালানি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রেখেছে তারা।
স্বীকৃতির ব্যাপারে গ্রামীণফোনের হেড অব এনভায়রনমেন্ট, সোশ্যাল ও গভর্ন্যান্স (ইএসজি) ফারহানা ইসলাম বলেন, “আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা, উদ্ভাবন এবং দীর্ঘমেয়াদী সুফল নিশ্চিত করা- সকল ক্ষেত্রে টেকসই অগ্রযাত্রার ব্যাপারে গ্রামীণফোনের প্রতিশ্রুতিকে আরও সংহত করলো ’মোস্ট সাস্টেইনেবল টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি অব দি ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ডটি। ’মোস্ট সাস্টেইনেবল এনার্জি ইনিশিয়েটিভ অব দি ইয়ার’ অ্যাওয়ার্ডটি পেয়েও আমরা আনন্দিত, যা আরও জ্বালানি সাশ্রয়ী ও টেকসই ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তুলতে আমাদের প্রচেষ্টার প্রতিফলন। আমাদের প্রচেষ্টায় স্বীকৃতি পাওয়ায় আমরা গর্বিত। মানুষ, সমাজ ও পৃথিবীর জন্য আরও নিরাপদ ও স্মার্ট ভবিষ্যত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের টেকসই অগ্রগতির পথচলায় অবদান রাখতে আমাদের পার্টনারদের সাথে কাজ করে যাব আমরা।”