চরচা ডেস্ক

বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী সবজি খাতকে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দিতে এবং নিরাপদ খাদ্য রপ্তানির সক্ষমতা বাড়াতে সুইসভিত্তিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান সুইসকন্টাক্ট–এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে যাচ্ছে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২২ জানুয়ারি ঢাকার আইএফআইসি টাওয়ারে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা এবং সুইসকন্টাক্টের পক্ষে বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব হেলাল হুসাইন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
লিড ফাইন্যান্সিয়াল পার্টনার হিসেবে আইএফআইসি ব্যাংক এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি ও এসএমই খাতে টেকসই অর্থায়ন সম্প্রসারণ, রপ্তানিমুখী উদ্যোক্তা তৈরি, ঝুঁকিহ্রাসকৃত ঋণ পোর্টফোলিও গঠনসহ নতুন গ্রিন ফাইন্যান্স পণ্য পরীক্ষণের সুযোগ পাবে।
২৭ মাস মেয়াদী এই প্রকল্প (জানুয়ারি ২০২৬–মার্চ ২০২৮) দেশজুড়ে এক হাজার ক্ষুদ্র কৃষককে গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহার, অবশিষ্টাংশ নিয়ন্ত্রণ ও উন্নত পোস্ট-হারভেস্ট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে।
পাশাপাশি ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করতে ক্লাস্টারভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যেখানে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নারী কৃষকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী সবজি খাতকে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছে দিতে এবং নিরাপদ খাদ্য রপ্তানির সক্ষমতা বাড়াতে সুইসভিত্তিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান সুইসকন্টাক্ট–এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে যাচ্ছে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২২ জানুয়ারি ঢাকার আইএফআইসি টাওয়ারে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ব্যাংকের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সৈয়দ মনসুর মোস্তফা এবং সুইসকন্টাক্টের পক্ষে বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর জনাব হেলাল হুসাইন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
লিড ফাইন্যান্সিয়াল পার্টনার হিসেবে আইএফআইসি ব্যাংক এই প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি ও এসএমই খাতে টেকসই অর্থায়ন সম্প্রসারণ, রপ্তানিমুখী উদ্যোক্তা তৈরি, ঝুঁকিহ্রাসকৃত ঋণ পোর্টফোলিও গঠনসহ নতুন গ্রিন ফাইন্যান্স পণ্য পরীক্ষণের সুযোগ পাবে।
২৭ মাস মেয়াদী এই প্রকল্প (জানুয়ারি ২০২৬–মার্চ ২০২৮) দেশজুড়ে এক হাজার ক্ষুদ্র কৃষককে গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিসেস, জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, নিরাপদ কীটনাশক ব্যবহার, অবশিষ্টাংশ নিয়ন্ত্রণ ও উন্নত পোস্ট-হারভেস্ট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেবে।
পাশাপাশি ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করতে ক্লাস্টারভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যেখানে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ নারী কৃষকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।