চরচা ডেস্ক

অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ এবং উন্নত জীবনমান বিশ্লেষণ করে বিশ্বের সেরা পাঁচ প্রবাসী গন্তব্যের তালিকা প্রকাশ হয়েছে একটি বৈশ্বিক সমীক্ষায়। এই তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে পানামা।
ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেশন রিপোর্টের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, বর্তমান সময়ে অন্য দেশে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩.৬ শতাংশ মানুষকেই এখন আন্তর্জাতিক অভিবাসী হিসেবে গণ্য করা হয়।
বিদেশে চলে যাওয়ার যেমন সুবিধা থাকে, তেমনই রয়েছে কিছু চ্যালেঞ্জ বা সমস্যা। একটি নতুন সমীক্ষা বলছে, প্রবাসীদের জীবনে আর্থিক সচ্ছলতা বা ভালো আয়-রোজগারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, বিদেশে গিয়ে যারা নিজেদের আর্থিক অবস্থা ভালো করতে পারছেন, তারাই বেশি খুশি থাকছেন।
প্রবাসী সংস্থা ইন্টারনেশনস জানায়, ১৭২টি দেশের ১০ হাজারেও বেশি প্রবাসীর ওপর তারা এই জরিপ চালিয়েছে। জরিপে পাঁচটি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে র্যাঙ্কিং করা হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিদেশে কাজের সুবিধা, স্থায়ী হওয়ার সুবিধা, প্রবাসীদের নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয়তা, জীবনের মান এবং ব্যক্তিগত আর্থিক ব্যবস্থা।
সমীক্ষার ফল অনুযায়ী, যেসব দেশ সার্বিক সুখের সূচকে উচ্চস্থান পেয়েছে, তারা ব্যক্তিগত অর্থায়নের দিক থেকেও শীর্ষে রয়েছে। পাশাপাশি জীবনযাত্রার মান এবং মানিয়ে নেওয়ার সুবিধার ক্ষেত্রেও দেশগুলো দারুণ স্কোর করেছে।
পানামা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামসহ শীর্ষ পাঁচটি দেশ প্রবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে জীবনধারণ, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ এবং মানসম্মত জীবন নিশ্চিত করেছে।
পাঁচটি সেরা গন্তব্য
২০২৫ সালের গন্তব্যের তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছে পানামা। ৪৬টি দেশের মধ্যে সামগ্রিকভাবে প্রথম স্থানে থাকা পানামা, পাঁচটি প্রধান সূচকের সবকটিতেই শীর্ষ তিনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। ফ্রিল্যান্সার এবং অবসরপ্রাপ্তদের কাছে জনপ্রিয় পানামা মূলত তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আউটডোর কার্যক্রমের দ্বারা মানুষকে আকৃষ্ট করে। আমেরিকান নাগরিক ক্যারি ম্যাকি বিবিসিকে বলেন, “সবুজ জঙ্গলের মাঝে থাকতে আমার বেশ ভালো লাগে। যেখানে আমরা প্রতিদিন বানর এবং প্রজাপতি দেখতে পাই।”
তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে কলম্বিয়া। এখানকার কম জীবনযাত্রার ব্যয় একটি বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রায় পাঁচজনের মধ্যে চারজন প্রবাসী তাদের আর্থিক পরিস্থিতিতে খুশি বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা মেক্সিকো বন্ধুভাবাপন্ন সংস্কৃতির জন্য তালিকায় এসেছে। এখানকার প্রবাসীরা বিশ্বের বাকি দেশের চেয়ে শতকরা ২০ শতাংশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তবে মেক্সিকোর আমেরিকান প্রবাসী ডেভিড বি রাইটের পরামর্শ, কমিউনিটির অংশ হতে হলে স্প্যানিশ ভাষা শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
থাইল্যান্ড চতুর্থ স্থানে রয়েছে এই তালিকায়। দেশটি সামগ্রিক সুখের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় এবং ব্যক্তিগত অর্থায়ন নিশ্চিতে তৃতীয় স্থান পেয়েছে। এখানকার প্রবাসীরা খুব সহজেই বন্ধু খুঁজে পান। স্থানীয় উষ্ণ অভ্যর্থনাও তাদের পরিবেশটিতে সহজে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। তবে প্রবাসীদের সতর্ক করা হয়েছে, এখানকার সংস্কৃতি এবং সমাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
তালিকার সেরা পাঁচের শেষ দেশটি হলো ভিয়েতনাম। ব্যক্তিগত অর্থায়ন সূচকে প্রথম এবং সার্বিক সুখের সূচকে অষ্টম স্থানে আছে দেশটি। বিশ্বের বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি হওয়ায় এখানকার প্রবাসীরা সর্বত্র চাঞ্চল্য খুঁজে পান। ইন্দোনেশিয়ান প্রবাসী বার্থা পেসিকের মতে, এখানকার জীবন দ্রুত গতিতে চলে এবং এখানকার মানুষ অবিশ্বাস্যভাবে বন্ধুত্ব পরায়ণ।

অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্য, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ এবং উন্নত জীবনমান বিশ্লেষণ করে বিশ্বের সেরা পাঁচ প্রবাসী গন্তব্যের তালিকা প্রকাশ হয়েছে একটি বৈশ্বিক সমীক্ষায়। এই তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে পানামা।
ওয়ার্ল্ড মাইগ্রেশন রিপোর্টের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, বর্তমান সময়ে অন্য দেশে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩.৬ শতাংশ মানুষকেই এখন আন্তর্জাতিক অভিবাসী হিসেবে গণ্য করা হয়।
বিদেশে চলে যাওয়ার যেমন সুবিধা থাকে, তেমনই রয়েছে কিছু চ্যালেঞ্জ বা সমস্যা। একটি নতুন সমীক্ষা বলছে, প্রবাসীদের জীবনে আর্থিক সচ্ছলতা বা ভালো আয়-রোজগারই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ, বিদেশে গিয়ে যারা নিজেদের আর্থিক অবস্থা ভালো করতে পারছেন, তারাই বেশি খুশি থাকছেন।
প্রবাসী সংস্থা ইন্টারনেশনস জানায়, ১৭২টি দেশের ১০ হাজারেও বেশি প্রবাসীর ওপর তারা এই জরিপ চালিয়েছে। জরিপে পাঁচটি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে র্যাঙ্কিং করা হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিদেশে কাজের সুবিধা, স্থায়ী হওয়ার সুবিধা, প্রবাসীদের নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয়তা, জীবনের মান এবং ব্যক্তিগত আর্থিক ব্যবস্থা।
সমীক্ষার ফল অনুযায়ী, যেসব দেশ সার্বিক সুখের সূচকে উচ্চস্থান পেয়েছে, তারা ব্যক্তিগত অর্থায়নের দিক থেকেও শীর্ষে রয়েছে। পাশাপাশি জীবনযাত্রার মান এবং মানিয়ে নেওয়ার সুবিধার ক্ষেত্রেও দেশগুলো দারুণ স্কোর করেছে।
পানামা, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামসহ শীর্ষ পাঁচটি দেশ প্রবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে জীবনধারণ, বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ এবং মানসম্মত জীবন নিশ্চিত করেছে।
পাঁচটি সেরা গন্তব্য
২০২৫ সালের গন্তব্যের তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছে পানামা। ৪৬টি দেশের মধ্যে সামগ্রিকভাবে প্রথম স্থানে থাকা পানামা, পাঁচটি প্রধান সূচকের সবকটিতেই শীর্ষ তিনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। ফ্রিল্যান্সার এবং অবসরপ্রাপ্তদের কাছে জনপ্রিয় পানামা মূলত তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আউটডোর কার্যক্রমের দ্বারা মানুষকে আকৃষ্ট করে। আমেরিকান নাগরিক ক্যারি ম্যাকি বিবিসিকে বলেন, “সবুজ জঙ্গলের মাঝে থাকতে আমার বেশ ভালো লাগে। যেখানে আমরা প্রতিদিন বানর এবং প্রজাপতি দেখতে পাই।”
তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে কলম্বিয়া। এখানকার কম জীবনযাত্রার ব্যয় একটি বড় প্রভাব ফেলেছে। প্রায় পাঁচজনের মধ্যে চারজন প্রবাসী তাদের আর্থিক পরিস্থিতিতে খুশি বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন।
তৃতীয় অবস্থানে থাকা মেক্সিকো বন্ধুভাবাপন্ন সংস্কৃতির জন্য তালিকায় এসেছে। এখানকার প্রবাসীরা বিশ্বের বাকি দেশের চেয়ে শতকরা ২০ শতাংশ স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তবে মেক্সিকোর আমেরিকান প্রবাসী ডেভিড বি রাইটের পরামর্শ, কমিউনিটির অংশ হতে হলে স্প্যানিশ ভাষা শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
থাইল্যান্ড চতুর্থ স্থানে রয়েছে এই তালিকায়। দেশটি সামগ্রিক সুখের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় এবং ব্যক্তিগত অর্থায়ন নিশ্চিতে তৃতীয় স্থান পেয়েছে। এখানকার প্রবাসীরা খুব সহজেই বন্ধু খুঁজে পান। স্থানীয় উষ্ণ অভ্যর্থনাও তাদের পরিবেশটিতে সহজে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। তবে প্রবাসীদের সতর্ক করা হয়েছে, এখানকার সংস্কৃতি এবং সমাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
তালিকার সেরা পাঁচের শেষ দেশটি হলো ভিয়েতনাম। ব্যক্তিগত অর্থায়ন সূচকে প্রথম এবং সার্বিক সুখের সূচকে অষ্টম স্থানে আছে দেশটি। বিশ্বের বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি হওয়ায় এখানকার প্রবাসীরা সর্বত্র চাঞ্চল্য খুঁজে পান। ইন্দোনেশিয়ান প্রবাসী বার্থা পেসিকের মতে, এখানকার জীবন দ্রুত গতিতে চলে এবং এখানকার মানুষ অবিশ্বাস্যভাবে বন্ধুত্ব পরায়ণ।