Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> বিশ্লেষণ

নতুন নাগরিকত্ব আইন ঘিরে স্পেনের রাজনীতিতে উত্তাপ, কেন?

চরচা ডেস্ক

চরচা ডেস্ক

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬: ২২
নতুন নাগরিকত্ব আইন ঘিরে স্পেনের রাজনীতিতে উত্তাপ, কেন?

স্পেনে নির্বাসিত স্প্যানিশ নাগরিকদের বংশধরদের নাগরিকত্ব দেওয়ার লক্ষ্যে প্রণীত ক্ষতিপূরণমূলক আইনকে ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ডানপন্থি বিরোধী নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন, আগামী বছরের নির্বাচনে নতুন ভোটার যুক্ত করে নির্বাচনী ফল নিজেদের পক্ষে নেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।

Advertisement

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে পাস হওয়া এই আইনের আওতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৭২২ জন স্পেনের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এর মধ্যে ৩ লাখ ৬ হাজার ব্যক্তি ভোটার তালিকায় নাম নিবন্ধন করেছেন। এ ছাড়া, এখনো প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ডানপন্থি রাজনীতিকেরা এ সপ্তাহে কোনো প্রমাণ ছাড়াই অভিযোগ করেন, সমাজতান্ত্রিক সরকার এমন দেশগুলোর আবেদন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করছে, যেসব দেশের নতুন নাগরিকেরা তাদের কম সমর্থন করতে পারেন। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, কয়েকটি অতিরিক্ত আসন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী এলাকাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে নতুন ভোটার নিবন্ধন করা হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
Advertisement

অতি-ডানপন্থি দল ভক্স মঙ্গলবার বিদেশ থেকে ডাকযোগে পাঠানো সব ভোট সাময়িকভাবে স্থগিত করার দাবি জানায়।

এই বক্তব্যগুলো অনেকটা ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারো এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনের আগে ভোটব্যবস্থা কারচুপির অভিযোগের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ সংসদীয় অচলাবস্থা এবং তার ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের মুখে আগামী ২০২৭ সালের আগস্টের আগেই আগাম নির্বাচন ঘোষণার চাপের মধ্যে রয়েছেন।

বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, রক্ষণশীল পিপলস পার্টি (পিপি) সবচেয়ে বেশি ভোট পেতে পারে। তবে সরকার গঠনের জন্য দলটিকে ভক্সের সমর্থনের প্রয়োজন হবে।

পিপি নেতা আলবার্তো নুনিয়েজ ফেইহো সোমবার স্প্যানিশ রেডিওতে বলেন, “বর্তমান ভোটারদের নিয়ে সানচেজের হিসাব মিলছে না। তাই তিনি হয়তো নতুন ভোটার তৈরি করে সেই হিসাব মেলানোর চেষ্টা করছেন।”

সরকার ফেইহোর অভিযোগকে ‘চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকারের দাবি, নতুন নাগরিকেরা কোথায় ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করবেন, সে বিষয়ে সরকারের কোনো ভূমিকা নেই। উল্লেখ্য, নাগরিকত্বের আবেদন গ্রহণ গত অক্টোবরেই শেষ হয়েছে।

ক্ষতিপূরণের পরিধি সম্প্রসারণ

‘ডেমোক্রেটিক মেমোরি’ আইন ২০০৭ সালের একটি আইনের ধারাবাহিকতা। ওই আইনের মাধ্যমে ১৯৩৬-৩৯ সালের স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ এবং পরবর্তীতে ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর একনায়কতন্ত্রের সময় নির্বাসিত হওয়া প্রায় পাঁচ লাখ স্প্যানিশের নাতি-নাতনি এবং বিদেশে বসবাসকারী স্প্যানিশদের প্রথম প্রজন্মের সন্তানদের নাগরিকত্বের সুযোগ দেওয়া হয়।

২০২২ সালে সানচেজ সরকার এই সুবিধার পরিধি আরও বাড়ায়। নতুন আইনের আওতায় ২০০৭ সালের আইনে নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তিদের প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানরা, যৌন পরিচয় বা রাজনৈতিক বিশ্বাসের কারণে নির্যাতিত ব্যক্তিদের বংশধরেরা এবং ফ্রাঙ্কো আমলে বিদেশিকে বিয়ে করার কারণে নাগরিকত্ব হারানো নারীরাও স্প্যানিশ নাগরিকত্বের অধিকার পান।

স্পেন একমাত্র দেশ নয়; ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশও নির্বাসিত নাগরিকদের বংশধরদের নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে। ইতালি, আয়ারল্যান্ড, পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরিসহ বেশ কয়েকটি দেশ রাজনৈতিক ইতিহাস নির্বিশেষে নাতি-নাতনিদেরও নাগরিকত্বের সুযোগ দেয়।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নির্বাচনে বিদেশে বসবাসকারী প্রায় ২৩ লাখ স্প্যানিশ নাগরিকের মধ্যে মাত্র ৯ শতাংশ ভোট দিয়েছিলেন।

চলতি বছর কয়েকটি আঞ্চলিক নির্বাচনে বিদেশি ভোট সমাজতান্ত্রিকদের পক্ষে বেশি গেলেও, দেশের অভ্যন্তরে দলটি উল্লেখযোগ্যভাবে সমর্থন হারিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সানচেজ সরকারের ওপর দুর্নীতির চাপ আরও ঘনীভূত হয়েছে। তার সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা একের পর এক দুর্নীতি কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে এবং তার পদত্যাগের দাবিতে সম্প্রতি (২৩ মে) রাজধানী মাদ্রিদে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মার্চ ফর ডিগনিটি বা মর্যাদার পদযাত্রা নামক ওই বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন।

এর আগে ২০২৪ সালের এপ্রিলে নিজের স্ত্রী বেগোনিয়া গোমেজের বিরুদ্ধে আদালতের দুর্নীতি তদন্ত শুরু হলে পেদ্রো সানচেজ সাময়িকভাবে পদত্যাগের কথাও বিবেচনা করেছিলেন। তবে শুরু থেকেই সানচেজ ও তার স্ত্রী সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক বিরোধীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের পরিবারকে হেয় করতে এসব ছক কষছে। গত মাসে স্পেনের একজন সরকারি প্রসিকিউটরও ডানপন্থী দলগুলোর দায়ের করা ওই মামলাটি বন্ধ করার জন্য তদন্তকারী বিচারককে অনুরোধ জানিয়েছেন।

বিষয়: ইউরোপবিরোধী দলস্প্যানিশসরকারনাগরিকত্বস্পেনরাজনীতিবার্সেলোনা
Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    মসজিদের সামনে ছাত্রলীগ সন্দেহে মারধর, কয়েকজন আহত

  • ২

    ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা বেঁচে থাকতে তোদের আধিপত্য এইখানে চলবে না’

  • ৩

    জেনজি আন্দোলন: শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপাল বনাম ভারত

  • ৪

    ‘অলিগার্ক যা চায়, এরা তাই করে ফেলে’

  • ৫

    ভারতের ককরোচ পার্টি আত্মপ্রকাশ করল কেন?

সম্পর্কিত
  • ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?

    ফিলিস্তিনের নির্বাচন কেন স্থগিত করলেন আব্বাস?

    গত ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে আব্বাস নভেম্বরে নির্বাচন আয়োজনের সময়সূচি পুনর্ব্যক্ত করেছিলেন। আন্তর্জাতিকভাবে সমর্থিত সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অংশ হিসেবেই তিনি ওই অঙ্গীকার করেছিলেন। এর দুই সপ্তাহ পর আব্বাসের নির্বাচনের সময়সূচি পেছানোর সিদ্ধান্ত এলো।

  • ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    ক্ষমতার ২৫ বছরে কীভাবে এই বাচ্চাদের থামাবেন মোদি?

    সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ও অধিকারকর্মী প্রশান্ত ভূষণ আল জাজিরাকে বলেন, “মোদি সরকারকে জনগণের কাছে বেশ ভীত বলে মনে হচ্ছে।”

  • ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের নির্বাচন ও লাতিন আমেরিকায় মার্কিন আধিপত্য

    ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বিস্তারের কৌশল, রাজনৈতিক মেরুকরণ, ডিজিটাল প্রচারণা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে

  • মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

    বিরোধী গোষ্ঠীগুলোর প্রায় প্রতিদিনের বিক্ষোভ মোদির সামনে নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এর মাত্র কয়েক মাস আগেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় একই ধরনের বিক্ষোভের মুখে তার শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।