
সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত ছয় শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে। আজ শনিবার সকালে শহীদ শান্তিরক্ষীদের মরদেহ বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সুদানে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মৃত্যু
প্রধান উপদেষ্টা জাতিসংঘ মহাসচিবকে আশ্বস্ত করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আহত শান্তিরক্ষীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে সৈনিক মো. মেজবাউল কবিরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দ্রুত তাঁর সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। অপর সাতজন আহত শান্তিরক্ষীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সুদানের একটি কিন্ডারগার্টেনসহ একাধিক স্থানে আধা সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) হামলায় ৪৬ শিশুসহ অন্তত ১১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী দুর্ভিক্ষের বিশ্লেষণকারী সংস্থা ইন্টেগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেস ক্লাসিফিকেশন জানিয়েছে, দারফুর এবং কোর্দোফানে প্রায় তিন লাখ ৭৫ হাজার মানুষ ক্ষুধার ‘চরম’ পর্যায়ে রয়েছে। খাদ্য সংকটকে পাঁচটি ধাপে বিভক্ত করা হয়। যার মধ্যে পঞ্চম ধাপ হলো দুর্ভিক্ষ।

বাংলাদেশসহ ৯ দেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হবে।

সুদানের দারফুর অঞ্চলে আল-ফাশের শহরের একটি মসজিদে ড্রোন হামলায় অন্তত ৭৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২০ জন।