
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, “তারা [মিয়ানমার] এখন মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।”

বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আরও কার্যকর আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীর নিজ দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র বাস্তব ও টেকসই সমাধান। তিনি রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে সক্রিয় ভূমিকা অ

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ বলে উপস্থাপন করেছে মিয়ানমার। এ উপস্থাপনকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ।

২০১৭ সাল থেকে প্রতি বছরই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে গত আট বছরে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীটির প্রত্যাবাসনের জন্য কোন কার্যকর অগ্রগতি হয়নি বলে হতাশা প্রকাশ করে প্রতিনিধি দলটি।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা রোহিঙ্গা নীতিতেও প্রভাব ফেলছে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে আগামী বছর নতুন নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা বলছেন,রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোই সমাধান।