
তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে মারাত্মক এই সংঘাতের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত অলাভজনক সংস্থা ‘ট্রুথ হাউন্ডস’ এবং আরও ডজন খানেক সংস্থাকে অর্থায়ন করা বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

মস্কোর এক আবেগঘন মুহূর্তের ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে তার স্কুলজীবনের জার্মান ভাষার প্রিয় শিক্ষক ভেরা দিমিত্রিয়েভনা গুরেভিচের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে দেখা যায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে তিন দিনের যুদ্ধবিরতি হতে যাচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে ৯ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত এই বিরতি চলবে। গত শুক্রবার (৮ মে) ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব কথা জানান।

ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে এখন মাটির নিচের বাঙ্কারে সময় কাটাচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর কড়াকড়িতে তার ঘনিষ্ঠ কর্মীদের ওপরও বসানো হয়েছে নজরদারি ক্যামেরা, বন্ধ করা হয়েছে মোবাইল ব্যবহার।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তার পরিবার এখন আর মস্কো বা ভালদাইয়ের নিয়মিত বাসভবনে থাকছেন না। পুতিন এখন লম্বা সময় কাটান বিভিন্ন বাঙ্কারে, যার মধ্যে একটি রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ক্রাসনোদার এলাকায় অবস্থিত।

ইউক্রেনে দুই দফায় প্রায় এক হাজার ড্রোন এবং ২৩টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়ার সামরিক বাহিনী। নজিরবিহীন এই হামলায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে সাতজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে।

লাতিন আমেরিকায় মস্কোর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করেছে। কিন্তু রাশিয়া কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করেনি। এই সব ঘটনাই বিশ্বজুড়ে পরিস্থিতি প্রভাবিত করার ক্ষেত্রে রাশিয়ার শক্তির সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্ট করে।

রাশিয়া ও ইউক্রেন সংঘাত চার বছর ধরে চলছে। ইউক্রেনের বড় অংশ রাশিয়া দখল করে নিলেও যুদ্ধ শেষ হয়নি। এই সংঘাত কোন পথে এবং কী হতে চলেছে শুনুন অধ্যাপক বদরুল আলম খানের আলোচনায়।

ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার (আইএসডাব্লিউ) জানিয়েছে, তারা ৪,৯৫২ বর্গকিলোমিটার এলাকা এবং ২৪৫টি জনপদে রুশ উপস্থিতির প্রমাণ পেয়েছে।

নতুন বছরের ভাষণে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি শান্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করলেও আত্মসমর্পণের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যুদ্ধের অবসান চাই, তবে ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে নয়।

আদানি ডিফেন্স এবং ভারত ফোর্জসহ শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় অস্ত্র নির্মাতাদের অন্তত অর্ধ ডজন নির্বাহী সম্ভাব্য যৌথ উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করার জন্য রাশিয়ায় বিরল বৈঠক করেছেন।