
ডিসিসিআই জানায়, টানা চার বছর ধরে সংকোচনমুখী মুদ্রানীতি অনুসরণ করা হলেও মূল্যস্ফীতি কাঙ্ক্ষিতভাবে নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বরং মে মাসে তা বেড়ে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বোচ্চ।

অবশ্য বিশ্বব্যাপী তেলের মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত ব্রেন্ট ক্রুড (অপরিশোধিত তেল) এখনও যুদ্ধপূর্ব সময়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ উচ্চ মূল্যে লেনদেন হচ্ছে।

জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রথম দৃষ্টিতে বড় মনে হলেও মূল্যস্ফীতির ওপর এর সরাসরি প্রভাব ততটা নয়, যতটা সাধারণভাবে ধারণা করা হয় বলে মন্তব্য করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে বেশ কিছু শর্তে এখনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি বাংলাদেশ। অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তিতে আরও ১৫-৩০ দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

এই প্রেক্ষাপট থেকে একটি মৌলিক সত্য বেরিয়ে আসে। চিরস্থায়ী এবং অবিসংবাদিত ক্ষমতার ধারণাটি দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যেই এই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। সেখানকার সরকারগুলো ক্রমে নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

কঠোর দমন-পীড়ন ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে ইরানে চলমান গণবিক্ষোভ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে এসেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর দিকে গ্যাস ক্যানিস্টার ছুঁড়ছেন। তেহরানের বাজারের অলিগলি এখন সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আর টিয়ার গ্যাসের ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। গত নয় দিন ধরে চলা এই আন্দোলনের মূল কারণ, দ্রুত পতনে থাকা ইরানি মুদ্রার মান এবং আকাশচুম্বী মূল্যস্ফীতি।

ইরানি মুদ্রা রিয়ালের তীব্র দরপতন ও লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অর্থনৈতিক সংকট, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও সাম্প্রতিক সংঘাত ইরানের সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতি আরও গভীর হলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম মানি কন্ট্রোলের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বিশ্ববাজারে সোনার দাম ৬০ শতাংশ বেশি বেড়েছে। ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১১ সালের আগস্ট পর্যন্ত সোনার দাম ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।