
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ধর্মপ্রচারক ও ভবিষ্যৎদ্রষ্টাদের এই প্রভাবের পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি তাদের দাবিগুলোও হয়ে উঠেছে আরও অদ্ভুত ও নাটকীয়। পুরোনো ধারার ধর্মযাজকরা ভবিষ্যদ্বাণীর গুণগত মান নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। একজন প্রবীণ রেভারেন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তরুণ যাজকরা এখন জনপ্রিয় হওয়ার নেশায় যা খুশি তাই বল

ভবিষ্যতের প্রযুক্তি কেমন হবে, তা নিয়ে আমাদের আগ্রহের শেষ নেই। গাড়ি আকাশে উড়বে, রোবট চিকিৎসা করবে, ড্রোনের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে যাবে ভোক্তার কাছে–না জানি আরও কত কিছু হবে! তবে একটি বিষয় নিশ্চিত – কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI সেই ভবিষ্যতের প্রধান চালিকাশক্তি।