আয়োজকদের দাবি, ‘জুলাই মঞ্চের’ ব্যানারে যুবকরা মিছিল নিয়ে এসে বাধা দেন। তারা অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন। বাউল আবুল সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
বাউলদের ওপর হামলা এবং কারাবন্দি বাউল আবুল সরকারের মুক্তির দাবিতে ২৮ নভেম্বর (২০২৫) রাজধানীর শাহবাগে মশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়।
নতুন বন্দোবস্তে প্রবেশের পর থেকে বাউলদের ওপর হামলা যেমন বেড়েছে, তার সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মাজারে হামলা ও ভাঙচুর। এমনকি মৃত ব্যক্তির লাশ কবর থেকে তুলে আগুনে ভস্মিভূত করতেও আমরা দেখেছি।
এক সময়ের মজলুম জনগোষ্ঠীর জালিম হয়ে যাওয়ার বহু উদাহরণ আছে। সাতচল্লিশের আগে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানেরা ছিল সংখ্যালঘু মজলুম। দেশ বিভাগের পর পাকিস্তানে সেই মুসলমানেরাই জুলুমবাজ হয়ে ওঠে।
মতাদর্শিক অবস্থান বা সামাজিক চাপের অজুহাতে শিল্প-সংস্কৃতির ওপর হামলা আইন ও মানবাধিকার বিরোধী বলে জানায় আইন ও সালিশ কেন্দ্র।
বয়াতি আবুল সরকারের মুক্তির দাবি এবং মানিকগঞ্জে বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ২৪ নভেম্বর (২০২৫) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশের আয়োজন করে ‘সাধুগুরুভক্ত ও ওলি-আওলিয়া আশেকান পরিষদ’।