
এসআই আরও জানান, এই ঘটনায় মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহত রিক্তার গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার শাহিনের মেয়ে। ময়নাতদন্তে প্রতিবেদনের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের তদন্ত শেষে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান। একই বছরের ১১ অক্টোবর দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালত ৩২ সাক্ষীর মধ্যে ২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে।

শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলী এনডিসির পক্ষ থেকে আহত শিশুটির চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

আয়েশা একজন ‘হ্যাবিচুয়াল অপরাধী’—এমনটিই দাবি করেন পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, গৃহকর্মীর ছদ্মবেশে বিভিন্ন বাসায় কাজ নিয়ে চুরি করাই ছিল তার (আয়েশা) মূল লক্ষ্য। পরিচয় গোপন, মুখ ঢাকা, মোবাইল ব্যবহার না করা—সবই ছিল পরিকল্পিত কৌশল।

কুয়েতের শ্রমিক সংকট ও শ্রমিক ব্যয় কামাতে গৃহকর্মী ভিসা থেকে কোম্পানি ভিসায় পরিবর্তনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।