
নির্বাচনী গুজবে এআইয়ের ব্যবহার সামলাবে কে? প্রচারে এআই না আসল–কে খুঁজবে, কীভাবে বোঝা যাবে? এআই ডিটেকশন ঠিকমতো কাজ করে কি? এআই ডিটেক্টর কতটা নির্ভরযোগ্য? নির্বাচন সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার শুরু হয়ে গেছে। প্রচারের হাত ধরে আছে প্রতিপক্ষকে ঘায়েলে অপপ্রচারও।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার–১ এ আটক আতাউর রহমান বিক্রমপুরীকে মারধর করার খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। তিনি সুস্থ আছেন বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

গত ২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে ঢাকার বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষায় বুকে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত বৃহস্পতিবার মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা ‘সংকটময়’।

তিনি জানান, ফার্মগেট ও বিজয় সরণি এলাকায় বিয়ারিং প্যাডগুলো আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের রাজনৈতিক অস্থিরতা। তাঁর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে এবং আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ—তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না? পিটিআই সিনেটর খুররম জিশান স্পষ্ট জানিয়েছেন—ইমরান খান সম্পূর্ণ জীবিত এবং বর্তমানে আদিয়ালা জেলেই বন্দি

ইমরান খানের মৃত্যুর গুজবের খবর ভিত্তিহীন; আদিয়ালা কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন তিনি সুস্থ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন। তবে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পরিবার ও সমর্থকদের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।

“একটা ব্যবসায়িক গোষ্ঠী যাদের নিজস্ব পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেল রয়েছে ওই জায়গাতে যারা সুস্থ সাংবাদিকতা করতে চাচ্ছেন তারাও অপসাংবাদিকতার শিকার হচ্ছেন।”
গুজব উৎপাদন করে? যে কেউ করতে পারে। কখনো সংবাদমাধ্যমও গুজবের উর্বর ভূমিতে পরিণত হয়। তবে বিভিন্ন সময় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী, রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি, বিনোদন জগতের তারকারা এই গুজবের জন্ম দেন।