
পুলিশ কমিশনার মো. আশিক সাঈদ বলেন, “বিষয়টি নজরে আসার পরপরই এসআই তানজিল আহমেদকে শোকজ করা হয়েছে। তার জবাব পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আজ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে রমনা থানা পুলিশ তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক বিষয় নিয়ে অভিমানে নিজ কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয় ওই কিশোরী।

গত মঙ্গলবার বিকাল থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৩ ফেব্রুয়ারি (২০২৬) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

এসআই আরও জানান, নিহতের মুখ দিয়ে লালা জাতীয় পদার্থ নির্গত হচ্ছে, মুখে থেকে মাদক জাতীয় বস্তু ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবুও মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে কেনো তিনি আত্মহত্যা করেছে, সে বিষয়ে এখনও কোনো কিছু জানা যায়নি।