
ঢাকার উত্তরখান এলাকায় তৈরি করা হয়েছে এমন এক বাড়ি যা বন্যা হলে ভেসে থাকবে, খাদ্যও উৎপাদন করবে। এমন একটি বাড়ি করতে আকার ভেদে খরচ হবে ৫ থেকে ২৫ লাখ টাকা।

ঢাকার উত্তরখান এলাকায় এমন এক ইট দিয়ে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে, যা পাথরের চেয়েও মজবুত, বলছেন এর উদ্ভাবক গবেষক অধ্যাপক ড. নন্দন মুখার্জী।

‘মেট্রোরেল বিয়ারিং প্যাড সেফটি মনিটরিং সিস্টেম’ নামে একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস (সিআইএস) বিভাগের শিক্ষার্থী ইরান সরদারের এই উদ্ভাবনকে গর্বের বলছেন তার শিক্ষকরা।

কৃষি সমস্যার সমাধানে একাধিক রোবট উদ্ভাবন করেছে ‘অ্যাগ্রো ডক্টর’ টিম। তরুণদের হাতের গড়া এই প্রতিষ্ঠান বৃক্ষ, ফসল ও মাটির নানা সমস্যা শনাক্ত করতে অ্যাপ ও সার্কিট তৈরি করেছে। রিয়েলটাইম ডাটা ব্যবহার করে তারা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির কাজ করে যাচ্ছে।

লায়েস-এর একটি বড় সুবিধা হলো কম খরচ। প্রতি মেগাওয়াট-ঘণ্টা সঞ্চিত শক্তির জন্য এর ‘লেভেলাইজড কস্ট অফ স্টোরেজ’ প্রায় ৪৫ ডলার, যেখানে পাম্পড হাইড্রোর জন্য এটি ১২০ ডলার এবং লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির জন্য ১৭৫ ডলার।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার দেখতে সাধারণ কম্পিউটারের মতো নয়। অনেক ধাতব সিলিন্ডার ও প্যাঁচানো তারে তৈরি কিম্ভূতকিমাকার এই যন্ত্রটি। কোয়ান্টাম মেকানিকসের জটিল সমীকরণ কাজে লাগিয়ে গাণিতিক সব সমস্যার সমাধান করবে এটি।

ঢাকার উত্তরখান এলাকায় তৈরি করা হয়েছে এমন এক বাড়ি যা বন্যা হলে ভেসে থাকবে, খাদ্যও উৎপাদন করবে। এই বাড়ি নির্মাণে ব্যবহৃত ইট সাধারণ ইটের চেয়ে বহু গুণ বেশি মজবুত ও সাশ্রয়ী। এ নিয়ে একটি ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি করেছিল চরচা। তখন থেকেই দর্শক নানা প্রশ্ন করা শুরু করেন।

ভবিষ্যতের প্রযুক্তি কেমন হবে, তা নিয়ে আমাদের আগ্রহের শেষ নেই। গাড়ি আকাশে উড়বে, রোবট চিকিৎসা করবে, ড্রোনের মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে যাবে ভোক্তার কাছে–না জানি আরও কত কিছু হবে! তবে একটি বিষয় নিশ্চিত – কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI সেই ভবিষ্যতের প্রধান চালিকাশক্তি।