
ইরানের জনগণকে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কঠিন পদক্ষেপ’ নিতে পারে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের হুমকি নেই। এটি পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুলিশের প্রস্তুতি যাচাই করতেই এই বিশেষ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলম্বিয়ার সঙ্গে আমেরিকার উত্তেজনা তুঙ্গে পৌঁছেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের অব্যাহত হুমকির মুখে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো প্রয়োজনে আবারও অস্ত্র হাতে তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ট্রাম্প জানান যে, তেলসমৃদ্ধ দেশটির শাসনব্যবস্থা তদারকি করার ইচ্ছা ওয়াশিংটনের রয়েছে। মার্কিন এই সামরিক অভিযান ডেনমার্কের মনে নতুন করে শঙ্কা জাগিয়েছে যে, ডেনিশ স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডকেও হয়তো একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে।

নিরাপত্তা আশঙ্কার কারণে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণার পর শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে পুনরায় একাডেমিক কাজে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক কাজী জাহিদ।

ঘোস্টপেয়ারিং (GhostPairing) নামে নতুন এক ভয়ংকর সাইবার হামলার হুমকিতে রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা। আরও আতঙ্কের খবর হলো, এর মাধ্যমে পাসওয়ার্ড, ওটিপি বা অ্যাকাউন্টের তথ্য ছাড়াই হ্যাকাররা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত চ্যাট রিয়েল-টাইমে পড়তে পারে!

ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে (নর্থ-ইস্ট) বিচ্ছিন্ন করার হুমকি অব্যাহত থাকলে নয়াদিল্লি বেশিদিন চুপ থাকবে না বলে সতর্ক করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা। এই আহ্বান বাংলাদেশের জন্য কল্পনা করাও ভুল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রকাশ্য বিবৃতিতে তিনি বারবার ভারতকে হুমকি দিয়েছেন। ধর্মীয় ভাবাবেগকে পারমাণবিক অস্ত্রের উন্মাদনার সঙ্গে মিশিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন, যা বেশ আগ্রাসী। সম্প্রতি এক বক্তৃতায় মুনির হুমকি দেন, পাকিস্তান যদি নিজেদের বিপন্ন মনে করে, তবে পারমাণবিক যুদ্ধে অর্ধেক দুনিয়া ধ্বংস করে দেবে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাংবাদিকদের শারীরিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দল ও কর্মীরাই ঝুঁকির প্রধান উৎস। সম্প্রতি সাংবাদিকদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

পাকিস্তানে জামাত-ই-ইসলামী সরকারের নতুন সাংবিধানিক সংশোধনীগুলোকে বিচারব্যবস্থা দুর্বল করার প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। শাসকদল এগুলোকে প্রশাসনিক দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা হিসেবে দেখালেও বিরোধীরা বলছে—এটি গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য গুরুতর হুমকি।