চরচা ডেস্ক

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বুধবার দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা এপির তথ্য দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
ট্রাম্প জানান, সামরিক জোট ন্যাটো একটি ‘ভবিষ্যৎ চুক্তির রূপরেখা’ তৈরিতে সম্মত হওয়ায় তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছিলেন যে, তিনি গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা পেতে চান। ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে একটি ‘ঠান্ডা এবং প্রতিকূল স্থানে অবস্থিত’ অঞ্চল হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকা ইউরোপকে রক্ষা করেছিল। তাই গ্রিনল্যান্ডকে ছেড়ে দেওয়া তাদের জন্য খুব সামান্য চাওয়া। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি সামরিক শক্তি ব্যবহার করবেন না।
ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান ট্রান্স-আটলান্টিক জোটে বড় ধরনের ফাটল ধরিয়েছে। ডেনমার্ক এবং ন্যাটোর মিত্ররা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব অবশ্যই বজায় থাকবে।
এদিকে, সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় গ্রিনল্যান্ডের সরকার তাদের নাগরিকদের পাঁচ দিনের খাবার ও জরুরি রসদ মজুত রাখার পরামর্শ দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এ নিয়ে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, ব্রিটেন ও ইউরোপীয় কমিশন পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে যে, শুল্ক আরোপ করা হলে তারা কঠোর ও ঐক্যবদ্ধ ব্যবস্থা নেবে।

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইউরোপীয় মিত্রদের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল বুধবার দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। বার্তা সংস্থা এপির তথ্য দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
ট্রাম্প জানান, সামরিক জোট ন্যাটো একটি ‘ভবিষ্যৎ চুক্তির রূপরেখা’ তৈরিতে সম্মত হওয়ায় তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এর আগে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছিলেন যে, তিনি গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা পেতে চান। ভাষণে তিনি গ্রিনল্যান্ডকে একটি ‘ঠান্ডা এবং প্রতিকূল স্থানে অবস্থিত’ অঞ্চল হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকা ইউরোপকে রক্ষা করেছিল। তাই গ্রিনল্যান্ডকে ছেড়ে দেওয়া তাদের জন্য খুব সামান্য চাওয়া। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি সামরিক শক্তি ব্যবহার করবেন না।
ট্রাম্পের এই অনমনীয় অবস্থান ট্রান্স-আটলান্টিক জোটে বড় ধরনের ফাটল ধরিয়েছে। ডেনমার্ক এবং ন্যাটোর মিত্ররা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব অবশ্যই বজায় থাকবে।
এদিকে, সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় গ্রিনল্যান্ডের সরকার তাদের নাগরিকদের পাঁচ দিনের খাবার ও জরুরি রসদ মজুত রাখার পরামর্শ দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এ নিয়ে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, ব্রিটেন ও ইউরোপীয় কমিশন পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে যে, শুল্ক আরোপ করা হলে তারা কঠোর ও ঐক্যবদ্ধ ব্যবস্থা নেবে।