
তিনি যেখানে হাত দিয়েছেন সেখানেই সোনা ফলেছে। বাংলা সিনেমায় তো তাক লাগানো অভিনয় করেছেনই, বলিউডেও ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। চাইলে শুধু অভিনয় করেই সুখে-শান্তিতে জীবনটা পার করে দিতে পারতেন উৎপল দত্ত।

ফেসবুকে তিনি প্রায়ই ক্ষোভ প্রকাশ এবং নীতি নির্ধারকদের হালকা চালে সমালোচনাও করতেন। কিন্তু দেড় বছর তো হয়ে গেল আওয়ামী লীগ সরকার নেই, মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নিজেই এখন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা, তারপরও কেন আলোচিত ‘শনিবার বিকেল’ মুক্তি পেল না?

বাংলাদেশের যে সিনেমাটি নিয়ে কথা বলব, তা আমার দেখা তো দূরের কথা, বাংলাদেশে মুক্তিই পায়নি। ভাবছেন, যে সিনেমা মুক্তিই পায়নি, তা নিয়ে আবার কথা কিসের! বিশ্বাস করুন, সিনেমাটি নিয়ে অনেক কথা ঠিকই আছে। হ্যাঁ—না দেখেও।

একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস-এর ‘অস্কার’ নামটি কোথা থেকে এল? কবে, কোথায় ও কীভাবে শুরু হয়েছিল এই মহা-অনুষ্ঠান? ১৯২৯ সালে কী কী ঘটেছিল পুরস্কারের প্রথম আসরে? অস্কার বিজয়ীরা পুরুষের অবয়বে গড়া সাড়ে ১৩ ইঞ্চি লম্বা ট্রফিটি ছাড়া আর কিছু কি পান? কোনো টাকাকড়ি?

২০৮ বছর আগে লেখা হয়েছিল গোথিক ক্ল্যাসিক উপন্যাস ‘ফ্রাঙ্কেনস্টাইন : দ্য মডার্ন প্রমিথিউস’। এখনো প্রাসঙ্গিক মেরি শেলির লেখা এই বিজ্ঞান কল্পকাহিনির উপজীব্য।

হঠাৎ করে হাইজ্যাক হয়ে গেল মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্পেশাল প্লেন এয়ার ফোর্স ওয়ান! এরপর নানা কায়দাকানুন করে, সন্ত্রাসীদের মেরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেই পরিস্থিতি থেকে বেঁচে ফেরেন। এমন গল্পের সিনেমাই ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’।

পুরস্কার জয়ের মধ্য দিয়ে বিজয়ীদের ক্যারিয়ার রাতারাতি ফুলেফেঁপে উঠে—এ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। একাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস একটি টাকাও কাউকে দেয় না।

কোন দড়ি বা সেফটি গিয়ার ছাড়াই তড়তড় করে উঠে গেলেন ১০১ তলা বিল্ডিংয়ে! কোন সিনেমার দৃশ্য নয়। বাস্তবেই এই কান্ড ঘটিয়েছেন মার্কিন রক ক্লাইম্বার অ্যালেক্স হনল্ড।

৯৮তম অস্কারের মনোনয়নে বড় চমক দেখিয়েছে ব্রাজিলের চলচ্চিত্র ‘দ্য সিক্রেট এজেন্ট’। সেরা চলচ্চিত্রসহ চার বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছে ক্লেবার মেন্ডোসা ফিলো পরিচালিত এই সিনেমা। ওয়াগনার মৌরার অভিনয় ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ছবিটিকে এনে দিয়েছে বিশ্বজুড়ে আলোচনায়।

হঠাৎ করেই লোকচোখের আড়ালে কেন গিয়েছিলেন সুচিত্রা? জনপ্রিয়তার শীর্ষ থেকে নির্বাসন কেন বেছে নিয়েছিলেন? সুচিত্রা সেনের নির্বাসন বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভরত মহারাজের ভূমিকা কী? সুচিত্রা অভিনীত শেষ সিনেমা কোনটি? সেই সিনেমার সাফল্য-ব্যর্থতা কি তার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছিল?

ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে (পাকিস্তান) জন্মগ্রহণ করেন। পরে তিনি স্বপরিবারে সেখান থেকে পাঞ্জাবে চলে আসেন। তারপরে বাংলাদেশে স্থায়ী হন।

রোমান হলিডে দিয়ে ইতিহাস গড়া অড্রে হেপবার্ন আজও অনন্য কিংবদন্তি। অভিনয়, ফ্যাশন এবং মানবিক কাজ—তিন ক্ষেত্রেই ছিল তার অসামান্য প্রভাব। মৃত্যুর পরও হলিউড ও মানবতার ইতিহাসে তিনি অমলিন।

জীবনের শেষ তিরিশটি বছর তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে ছিলেন। কেউ তাকে বলেনি তা করতে, ক্যামেরাও তার দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়নি–তবুও তিনি বেছে নিয়েছিলেন একাকিত্বের জীবন।

২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে বেশি দর্শক যে সিনেমাটি দেখেছিল সেটি ইয়োন সাং-হো পরিচালিত এই ‘ট্রেন টু বুসান’। ১ কোটি ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখেছিল। এটি এখনো দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বকালের সর্বাধিক দর্শকসংখ্যা অর্জনকারী চলচ্চিত্রের তালিকায় ১১তম স্থানে অবস্থানে রয়েছে।

২০১৬ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় সবচেয়ে বেশি দর্শক যে সিনেমাটি দেখেছিল সেটি ইয়োন সাং-হো পরিচালিত এই ‘ট্রেন টু বুসান’। ১ কোটি ১৫ লাখেরও বেশি মানুষ সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখেছিল। এটি এখনো দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বকালের সর্বাধিক দর্শকসংখ্যা অর্জনকারী চলচ্চিত্রের তালিকায় ১১তম স্থানে অবস্থানে রয়েছে।