চরচা ডেস্ক

জনপ্রিয় অভিনেতা ও বিশিষ্ট নৃত্য পরিচালক ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন। বার্তা সংস্থা বাসস থেকে জানা যায়, মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন।
জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী বলেন, আজ সকালে জাভেদের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। তাকে হাসপাতালে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে বাসায় এনে চিকিৎসা চালানো হয়।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে ‘নয়া জিন্দেগি’ সিনেমার মাধ্যমে জাভেদের অভিনয়ে হাতেখড়ি। সিনেমাটি মুক্তির আলো পায়নি। কয়েকটি ছবিতে কাজের পর ১৯৭০ সালের ৩০ জানুয়ারি মুক্তিপ্রাপ্ত মুস্তাফিজ পরিচালিত উর্দু সিনেমা ‘পায়েল’ তাকে এনে দেয় ব্যাপক পরিচিতি।
একই সঙ্গে বাংলায় নির্মিত ‘নূপুর’ নামের ছবিটি সুপারহিট হয়। এই ছবিতে নায়ক রাজ্জাক, শাবানার সঙ্গে জাভেদের উপস্থিতি দর্শকের মন জয় করে নেয়। নব্বই দশক পর্যন্ত ইলিয়াস জাভেদ প্রায় ২০০ শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন।
ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে (পাকিস্তান) জন্মগ্রহণ করেন। পরে তিনি স্বপরিবারে সেখান থেকে পাঞ্জাবে চলে আসেন। তারপরে বাংলাদেশে স্থায়ী হন।

জনপ্রিয় অভিনেতা ও বিশিষ্ট নৃত্য পরিচালক ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন। বার্তা সংস্থা বাসস থেকে জানা যায়, মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন।
জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী বলেন, আজ সকালে জাভেদের শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। তাকে হাসপাতালে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে বাসায় এনে চিকিৎসা চালানো হয়।
মাত্র ১৪ বছর বয়সে ‘নয়া জিন্দেগি’ সিনেমার মাধ্যমে জাভেদের অভিনয়ে হাতেখড়ি। সিনেমাটি মুক্তির আলো পায়নি। কয়েকটি ছবিতে কাজের পর ১৯৭০ সালের ৩০ জানুয়ারি মুক্তিপ্রাপ্ত মুস্তাফিজ পরিচালিত উর্দু সিনেমা ‘পায়েল’ তাকে এনে দেয় ব্যাপক পরিচিতি।
একই সঙ্গে বাংলায় নির্মিত ‘নূপুর’ নামের ছবিটি সুপারহিট হয়। এই ছবিতে নায়ক রাজ্জাক, শাবানার সঙ্গে জাভেদের উপস্থিতি দর্শকের মন জয় করে নেয়। নব্বই দশক পর্যন্ত ইলিয়াস জাভেদ প্রায় ২০০ শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন।
ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে (পাকিস্তান) জন্মগ্রহণ করেন। পরে তিনি স্বপরিবারে সেখান থেকে পাঞ্জাবে চলে আসেন। তারপরে বাংলাদেশে স্থায়ী হন।