
চিত্রনায়ক সালমান শাহ-এর মৃত্যুর প্রায় ৩০ বছর পর তার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে মামলার বাদী মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই আদেশ

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যার বিচারের দাবিতে ২০ জুন (২০২৬) তার ভক্তরা রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সালমানের মা চিৎকার করে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করেন। পথে তারা সালমানের গলায় দড়ির দাগ এবং মুখমণ্ডল ও পায়ে নীলচে দাগ দেখতে পান। পরে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, সালমান শাহ অনেক আগেই মারা গেছেন।

১৩ জুন (২০২৬) উত্তরা সেন্টার পয়েন্টের স্টার সিনেপ্লেক্সে ছিল ‘রইদ’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী। আলোচিত ছবিটি দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন বিনোদন ও রাজনীতি জগতের অনেকে। ভিডিও: হাসান জোবায়েদ সজিব

হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহর (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) মৃতদেহ (লাশ) কবর থেকে উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহর মামা মো. আলমগীর।

অতীতে সিআইডি, বিচার বিভাগীয় তদন্ত, র্যাব ও পিবিআইয়ের একাধিক তদন্তে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত না হলেও পরিবার বারবার নারাজি দিয়ে পুনঃতদন্তের দাবি জানিয়ে আসছে।

গত ২০ অক্টোবর মধ্যরাতে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম মামলাটি দায়ের করেন। এরপর এই মামলার এজাহার গ্রহণ করে ঢাকার রমনা মডেল থানার ইন্সপেক্টর আতিকুল ইসলাম খন্দকারকে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

সালমান শাহর গল্পটা করুণ তাঁর গল্পটা অসম্পূর্ণ। ২৯ বছর আগে, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি চলে গিয়েছিলেন না ফেরার দেশে। ২৭ বছর বয়সেই, অর্থ, যশ, খ্যাতি যখন তাঁর পায়ে লুটিয়েছে, সেই বয়সেই তিনি নাকি আত্মহত্যা করেছিলেন! কিন্তু সে কথা দেশের মানুষ কখনোই বিশ্বাস করেনি।