
ইরানে অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকার পতনের আন্দোলনে রুপ নিয়েছে। আন্দোলন দমনে মাঠে নামানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। চলমান বিক্ষোভে শুধু রাজধানী তেহরানেই এক রাতে ২০০ জনের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আমেরিকার প্রভাবশালী সাময়িকী টাইম ম্যাগাজিন।

নির্বাচনের পরিবেশকে আরও ঝুঁকিতে ফেলছে পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এখনো ১ হাজার ৩৩৩টি আগ্নেয়াস্ত্র ও আড়াই লাখের বেশি গুলি উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্র নির্বাচনের সময় সহিংসতায় ব্যবহৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশ কি উগান্ডার পথে হাঁটবে, নাকি সতর্ক হবে? মব সহিংসতা রোধে সরকার আসলে কী করছে? মব সহিংসতা এতটা বৃদ্ধির কারণ কী? এই মব রাজনৈতিকভাবে কাউকে সুফল দিচ্ছে কি? আফ্রিকার দেশ উগান্ডার সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা বারবার আসছে কেন? এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন অর্ণব সান্যাল

ইরানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট ও লাগামছাড়া মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরাসরি খামেনি বিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। রাজধানী তেহরান থেকে শুরু হয়ে এই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রাম ও প্রান্তিক শহরগুলোতে।

মবের কথা বললেই একটি দেশের নাম চলে আসে। সেটি হলো পূর্ব আফ্রিকার একটি ভূমিবেষ্টিত দেশ, নাম উগান্ডা। যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্যার উইনস্টন চার্চিল এই দেশটিকে অভিহিত করেছিলেন ‘দ্য পার্ল অব আফ্রিকা’ নামে।

অর্থনৈতিক সংকট ও মুদ্রার দ্রুত অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে ইরানে আবারও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এই আন্দোলনে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দেশটির কয়েকটি প্রদেশে বেশ অন্তত ছয় জন নিহত হয়েছেন বলে ইরানি গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে। এরপর আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নতুন বছর এলেও যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় নেই কোনো উৎসব, আছে শুধু অনিশ্চয়তা আর নিরাপত্তাহীনতা। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা ২০২৬ সালে শান্তি, নিরাপদ জীবন ও নিজ ঘরে ফেরার আকুতি জানাচ্ছেন। যুদ্ধবিরতির পর সহিংসতা কমলেও গাজায় স্বস্তি এখনো অধরা।

বিদায়ী বছরজুড়ে দেশে রাজনৈতিক সহিংসতা ছিল প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা। দলীয় অন্তর্কোন্দল, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও ক্ষমতার লড়াইকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে প্রাণ গেছে অন্তত ৯৮ জনের। আহত হয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার।

সিএফআর বলছে, শুরু হতে যাওয়া বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে বড় ধরনের অস্থিরতা এবং রক্তক্ষয়ী সহিংসতার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতার জন্য মূলত দুটি প্রধান বিষয়কে দায়ী করা হয়েছে। একটি হলো জাতীয় নির্বাচন স্থগিত হওয়া বা বিলম্বিত হওয়া এবং ক্রমবর্ধমান শাসনতান্ত্রিক সংকট।

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মব সহিংসতায় অন্তত ১৮৪ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় সবচেয়ে বেশি ৭৮ জন। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। সেখানে নিহত হয়েছে ৩২ জন।

বিশ্বজুড়ে এই যে বড়দিন পালনের এই যে ধুম, তা সেই যিশুর আসলে কতটুকু প্রতিনিধিত্ব করে, যে যিশু জন্মেছিলেন বেথলেহেমে, যা আজকের ফিলিস্তিন? বেথলেহেমের ধর্মীয় কাহিনির সঙ্গে আজকের দখলদারত্ব, সহিংসতা ও বাস্তুচ্যুত মানুষের জীবনের গভীর সাযুজ্য তুলে ধরা হয়েছে।

নাইজেরিয়ার বোর্নো রাজ্যের রাজধানী মাইদুগুরির মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এশার নামাজের সময় এই হামলায় ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। দীর্ঘ দিন ধরে জঙ্গি সহিংসতায় ক্ষতবিক্ষত অঞ্চলটিতে এ হামলার পর নতুন করে উদ্বেগ বেড়েছে।

শপথ পাঠ করান সংগঠনটির সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। এসময় সবাই হাত উঁচু করে শপথ বাক্য উচ্চারণ করেন।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান শরিফ হাদি, তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন, প্রার্থীরা কি নিরাপদ নন? সহিংসতা কি আরো বাড়বে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা কী? নির্বাচন কমিশন কি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম?

আগামী জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান শরিফ হাদি, তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। জনমনে প্রশ্ন, প্রার্থীরা কি নিরাপদ নন? সহিংসতা কি আরো বাড়বে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা কী? নির্বাচন কমিশন কি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম?

অন্তর্বর্তী সরকার শুরু থেকেই মব ভায়োলেন্স প্রতিরোধে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াব সভাপতি এ কে আজাদ। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা প্রমাণ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার শুরু থেকেই মব ভায়োলেন্স প্রতিরোধে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াব সভাপতি এ কে আজাদ। তিনি বলেছেন, গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলা প্রমাণ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

২০২৫ সাল শেষে বাংলাদেশের গণতন্ত্র একটি দ্বিধাগ্রস্ত পথরেখায় দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্বপ্ন, অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পুরোনো চক্র।

২০২৫ সাল শেষে বাংলাদেশের গণতন্ত্র একটি দ্বিধাগ্রস্ত পথরেখায় দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্বপ্ন, অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসার পুরোনো চক্র।