
চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে ২৪ ওভার খেলা হয়েছে। পাকিস্তানের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০২। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ৩৩৬ রান।

দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই মেহেদি হাসান মিরাজকে টানা দুই চার মেরে পাল্টা আক্রমণের আভাস দেন ফজল। বার্তাটা ছিল স্পষ্ট—টার্নিং উইকেটে স্পিনারদের চেপে বসতে দিতে চান না। উইকেটে স্পিন ধরলেও অন্যপ্রান্তে নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদকে দিয়েই আক্রমণ চালিয়ে যান বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ওয়ানডে অধিনায়ক হলেও দলে তার ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা নিয়ে প্রায়ই ওঠে প্রশ্ন। তবে ফরম্যাট যখন টেস্ট ক্রিকেট, সেখানে মেহেদি হাসান মিরাজকে নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগই নেই। ধারাবাহিকভাবে লাল বলের ক্রিকেটে দলের অন্যতম সেরা পারফরমার যে তিনিই।

পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশ শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়েছে ৫৯ রানে। এই ব্যর্থতায় ইনিংস থেমেছে ৪১৩ রানেই। চা বিরতিতে পাকিস্তান বিনা উইকেটে করেছে ৫০ রান।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ১৯৯ রান তাড়া করতে নেমে মেহেদি হাসান মিরাজ যখন ব্যাট করতে নামেন, তখন ম্যাচ জেতা সময়ের ব্যাপার মাত্র। তবে দর্শকদের ধৈর্য পরীক্ষা নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক উপহার দেন ‘টেস্ট’ ইনিংসের। সাত নম্বর পজিশনে নেমে অমন একটি ইনিংসই বলে দেয়, মারকুটে ব্যাটিং রপ্ত করতে পারছেন না তিনি। সিরিজের শেষ