
এনসিপিতে নেই বলে জানিয়েছেন জুলাই আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ খ্যাত মাহফুজ আলম। এ নিয়ে দেওয়া পোস্টে নতুন কিছুর ইঙ্গিত কি দিলেন মাহফুজ? এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে জোট করায় তাদের একের পর এক শীর্ষ নেতা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। জামায়াতের সঙ্গে জোটের কারণেই কি তবে ভেঙে পড়বে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপি?

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করা মাহফুজ আলম বলেছেন, ‘‘খুবই সংকটময় পরিস্থিতি সামনে। আমাদের গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। আমাদের একটা লাশ পড়লে আমরা কিন্তু লাশ নেব। এত সুশীলতা করে লাভ নেই। অনেক ধৈর্য ধরা হয়েছে।’’

প্রধান উপদেষ্টার অধীনে থাকা মন্ত্রণালয়গুলো হচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

প্রেস সচিব বলেন, “বিকেল পাঁচটা নাগাদ তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তাদের পদত্যাগপত্র নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথেই কার্যকর হবে।”

প্রধান উপদেষ্টা ‘ক’ ও ‘খ’ গ্রুপের সেরা দুই বিজয়ীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন। ‘ক’ গ্রুপে টাঙ্গাইল জেলার প্রেয়সী চক্রবর্তী এবং ‘খ’ গ্রুপে সুনামগঞ্জ জেলার শুভ মিতা তালুকদার চ্যাম্পিয়ন হয়। তারা প্রত্যেকে একটি ক্রেস্ট ও তিন লাখ টাকার চেক গ্রহণ করে।

সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, “এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর না করা পর্যন্ত নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যাবে এবং উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকও নিয়মিত অনুষ্ঠিত হবে।”

মাহফুজ আলম বলেন, “কোনো কোনো অ্যাম্বাসি চায় যে মাজারগুলো ধ্বংস হোক। একধরনের রাজনৈতিক আদর্শিক জায়গাগুলো এখানে আছে।”