চরচা ডেস্ক

নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর না করা পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালন করবে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে ওই বিবৃতি দেওয়া হয়।
গতকাল রোববার তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের এক বক্তব্যে ‘বিভ্রান্তি সৃষ্টির’ পরিপ্রেক্ষিতে এই বিবৃতি দেয় সরকার।
বিবৃতিতে বলা হয়, “গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিট দ্য রিপোটার্স অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম উপদেষ্টা পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবার পর কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।”
“বস্তুত, সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে এটা সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পূর্ণোদ্যমে চলমান থাকবে।”
ডিআরইউতে রোববার তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “সংস্কার কমিশন থেকে ২৩টি আশু বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাব তোলা হয়েছে। মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করে ১৩টি প্রস্তাব বাস্তবায়ন করছে। নভেম্বরে কেবিনেট ক্লোজ হয়ে যাবে, যা করার আগামী মাসের মধ্যে করতে চাই।”
সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, “এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর না করা পর্যন্ত নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যাবে এবং উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকও নিয়মিত অনুষ্ঠিত হবে।”

নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর না করা পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব পালন করবে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে ওই বিবৃতি দেওয়া হয়।
গতকাল রোববার তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের এক বক্তব্যে ‘বিভ্রান্তি সৃষ্টির’ পরিপ্রেক্ষিতে এই বিবৃতি দেয় সরকার।
বিবৃতিতে বলা হয়, “গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির মিট দ্য রিপোটার্স অনুষ্ঠানে দেওয়া তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম উপদেষ্টা পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে কিছু মন্তব্য করেছেন যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হবার পর কিছুটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।”
“বস্তুত, সরকারের গৃহীত সংস্কার ও নীতিমালা প্রণয়নের কাজ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করতে হবে এটা সঠিক নয়, বরং সংস্কার কার্যক্রম পূর্ণোদ্যমে চলমান থাকবে।”
ডিআরইউতে রোববার তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “সংস্কার কমিশন থেকে ২৩টি আশু বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাব তোলা হয়েছে। মন্ত্রণালয় পর্যালোচনা করে ১৩টি প্রস্তাব বাস্তবায়ন করছে। নভেম্বরে কেবিনেট ক্লোজ হয়ে যাবে, যা করার আগামী মাসের মধ্যে করতে চাই।”
সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, “এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাচিত সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর না করা পর্যন্ত নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে যাবে এবং উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকও নিয়মিত অনুষ্ঠিত হবে।”

১৯৯১ সালের নির্বাচনকে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।পাশাপাশি বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী পরিবেশ ভয়াবহভাবে কলুষিত হয়ে পড়েছে এবং উত্তরণের জন্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোর মৌলিক সংস্কার অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন বদিউল আলম মজুমদার।