
ইউক্রেনের এই নতুন প্রস্তাবগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের আগের একটি পরিকল্পনার বিকল্প হিসেবে আনা হয়েছে, যেটিকে অনেকে রাশিয়ার পক্ষে বলে মনে করেছিলেন।

আমেরিকার মিত্র ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি মনে করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সেনারা যেভাবে তুলে নিয়েছে। ঠিক তেমনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকেও তুলে আনা উচিত। জেলেনস্কির এ বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। ট্রাম্প মনে করেন, পুতিনের

নববর্ষের আচার অনুষ্ঠানে পেরুর ওঝারা ২০২৬ সালের বিশ্ব রাজনীতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তাঁদের পূর্বাভাসে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর পতন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গুরুতর অসুস্থতার কথা উঠে আসে।

পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার অভিযোগ তুলে উত্তেজনা বাড়াল রাশিয়া, যদিও তা সরাসরি অস্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। এই দাবি শান্তি আলোচনা ভেস্তে দেওয়ার কৌশল বলে অভিযোগ করে কিয়েভ বলছে, যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার অজুহাত খুঁজছে মস্কো।

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আগ্রহী নন বলে দাবি করেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ান প্রেসিডেন্টের মতে, শান্তিপূর্ণ সমাধানে কিয়েভের অনীহার কারণেই সংঘাত দীর্ঘায়িত হচ্ছে। ইউক্রেনও বলছে, রাশিয়াই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চায়।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা এবং ইউক্রেনের জন্য আমেরিকান নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি একটি শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছেন, যেখানে মস্কোর দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পূর্বাঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনা প্রত্যাহারের সম্ভাবনাও রাখা হয়েছে।

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধে ফ্লোরিডায় রুশ ও মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। রয়টার্স জানায়, শান্তি পরিকল্পনার ভিত্তিতে এই আলোচনাকে গঠনমূলক বলে আখ্যা দিয়েছে উভয়পক্ষ। তবে যুদ্ধবিরতির শর্তে মস্কোর চূড়ান্ত অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়।