
জায়গাটি দেখে বোঝার উপায় নেই, এখানেই রয়েছে একটি বধ্যভূমি। ১৯৭১ সালে মিরপুরে রাইনখোলা এলাকার এই জায়গাটিতে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দোসররা মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ বাঙালিদের ধরে এনে হত্যা করত। আগে এখানে একটি স্মৃতিফলক ছিল , সেটিও উধাও।

ওই বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) শামীম উদ্দিন খানের ১৯৭১ সালের শহীদ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডকে ‘অবান্তর’ বলার প্রতিবাদে প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে স্মরণ করা হচ্ছে ১৯৭১ সালে শহীদ হওয়া সূর্য-সন্তানদের। অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অবদান রাখা মনীষীদের যে ভাস্কর্যগুলো গড়েছিলেন ভাস্কর শামীম সিকদার—৫ আগস্ট (২০২৫) সেগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছিল। এক বছরের বেশি সময় পরও ভাস্কর্যগুলো সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই।

মিরপুরের জল্লাদখানা বধ্যভূমিতে ১৯৭১ সালে ঠিক কত মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল? দেশের আর কোথায় কতটি বধ্যভূমি আছে? কী আছে জল্লাদখানায়? বাংলাদেশসহ বিশ্বের আর কোথায় গণহত্যায় কত মানুষ নিহত হয়েছিল?

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে রাজধানীর মিরপুরে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ভিডিও: মাহিন আরাফাত

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে রাজধানীর মিরপুরে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
লেফটেন্যান্ট জেনারেল এ এ কে নিয়াজির আগে পাঠানো বার্তার জবাবে দুপুরের পরে আসা এক বার্তায় ইয়াহিয়া খান যুদ্ধবিরতির অনুমোদন দেন। নিয়াজি সন্ধ্যায় ঢাকায় নিয়োজিত যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল হার্বার্ট ড্যানিয়েল স্পিভাকের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়ে চিঠি লেখেন।

রায়েরবাজার আর মিরপুরের শিয়ালবাড়ির পরিত্যক্ত জলাভূমি থেকে আবিষ্কৃত হলো অনেক পরিচিত মানুষের বিকৃত মরদেহ। তাদের কেউ অধ্যাপক, কেউ চিকিৎসক, সাংবাদিক কিংবা সাহিত্যিক। সমাজের উঁচুস্তরের মানুষ। সবাই সমর্থন দিয়ে গেছেন বাঙালির স্বাধিকারের দাবিকে

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর নির্দেশে অধিকৃত বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় এদিন থেকে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনার করা হয়েছিলো বলে পরবর্তীতে জানা যায়।

সিআইডির কর্মকর্তারা বলছেন, অজ্ঞাত ১৮২ শহীদের পরিচয় উদঘাটনে এই ডিএনএ সংগ্রহ ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ হবে একটি ঐতিহাসিক ও মানবিক দায়িত্ব। উত্তোলন কাজ শুরু হওয়ার মাধ্যমে পরিচয় নিরূপণের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অগ্রসর হলো।

‘বুদ্ধিজীবীরা যা বলতেন, শুনলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এখন যা বলছেন, শুনলে বাংলাদেশের সমাজ–কাঠামোর আমূল পরিবর্তন হবে না।’ প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে সদ্য জন্ম নেওয়া একটি দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক বিন্যাস নিয়ে লিখতে বসে শুরুতেই এমন মন্তব্য করেছিলেন আহমদ ছফা