
বিপিসির মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন জানান, এমটি লিয়ান সং হু প্রায় ৪১ হাজার টন ডিজেল, এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল এবং এমটি নাভ সিয়েলো প্রায় ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে এসেছে।

বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, “জলসীমায় থাকা তিনটি জাহাজ পর্যায়ক্রমে জেটিতে ভিড়বে এবং সেগুলো থেকেও জ্বালানি খালাস করা হবে।”

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) জানিয়েছে, দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি সঠিক নয়। সংবাদটি তথ্যভিত্তিক নয় বরং বাস্তবতার বিপরীত।

গ্রাহক চাহিদার কথা বিবেচনা করে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আজ সোমবার থেকে পাম্পগুলোতে বাড়তি জ্বালানি সরবরাহ করা হবে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আজ জানিয়েছে, ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে জেট ফুয়েলের মজুত ছিল প্রায় ২২ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

এদিকে, এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো নবম জাহাজ। আজ শুক্রবার বিকেলে জাহাজটি ডলফিন জেটিতে নোঙর করেছে বলে জানিয়েছেন বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মোমিতা।

বর্তমান তেল সংকটেও সদ্য নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের পক্ষ থেকে একই ধরনের আচরণ পরিলক্ষিত হচ্ছে। সরকারি ভাষ্যেই স্পষ্ট যে, অবৈধভাবে তেল মজুতের ঘটনা ঘটছে। অভিযান চালানোর পর সেসবের কিছু কিছু ধরা পড়ার খবরও মিলছে।

এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে কি না—এর সরাসরি উত্তর এখনো মেলেনি। তবে ভর্তুকির বাড়তি চাপ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা বিবেচনায় মূল্য সমন্বয়ের সম্ভাবনা যথেষ্ট জোরাল।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ডিজেলের চাহিদা ছিল প্রায় ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন। এর বড় অংশ সরাসরি আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার জের বাংলাদেশের জ্বালানি বাজারে কেন পড়ছে? এ সংকট কতটা বাস্তব, কতটা তৈরি করা? এর পেছনের কারণ কী? বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) যথাযথ তথ্য উপস্থাপন করছে না। তাদের এই তথ্যঘাটতিই কি সংকটের মূল কারণ? জ্বালানি তেল নিয়ে মানুষের মধ্যে থাকা শঙ্কা কাটাতে সরকার কী করছে?

সরকারি ছুটির দিনেও প্রধান স্থাপনা ও ডিপো খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বিপিসি। ফলে এখন থেকে শুক্র ও শনিবারও বিপিসির তেল ডিপো খোলা থাকবে।

দেশের জনগণের চাহিদা বিবেচনা করে বিভাগীয় শহরে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

রাইড শেয়ারিং সেবায় নিয়োজিত মোটরসাইকেলগুলোর জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহের নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এর আগে এই সীমা দুই লিটার নির্ধারণ করা হয়েছিল।

রাইড শেয়ারিং সেবায় নিয়োজিত মোটরসাইকেলগুলোর জন্য প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ লিটার অকটেন বা পেট্রোল সরবরাহের নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এর আগে এই সীমা দুই লিটার নির্ধারণ করা হয়েছিল।