
দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং আগামী দুই মাস অকটেন ও পেট্রোলের সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না বলে নিশ্চিত করেছে জ্বালানি বিভাগ। দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ হয়নি বলেও জানানো হয়েছে।

জ্বালানি তেলের সরবরাহ আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ও আধুনিক করতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

শওকতুল ইসলাম তার প্রশ্নে জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে কি না জানতে চান। জবাবে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, “জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য একটি আইন আছে। সে আইন অনুসারে আমরা প্রতি মাসে দামের সমন্বয় করি।”

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও ডলারের বিনিময় হারের অস্থিরতার অজুহাতে দেশে ফার্নেস তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি ৫১ টাকারও বেশি বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি চলতি এপ্রিল মাসের জন্য এই জ্বালানি তেলের দাম প্রতি লিটার ১

আন্তর্জাতিক ক্রয়ের আওতায় কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপি থেকে ডিপিএম পদ্ধতিতে ১ লাখ মেট্রিক টন ৫০ পিপিএম সালফার ডিজেল আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৬৮৯ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি অফিসের সময় পরিবর্তন করা হয়েছেন—জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নামে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘুরছে এমন একটি চিঠি। তবে এই চিঠিটি ভুয়া বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

ব্রিফিং এ আরো জানানো হয়, গত শুক্রবার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে অনলাইন সভায় সিদ্ধান্তের আলোকে সারা দেশের সকল পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় বিপিসি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে।

সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ পেট্রোল পাম্পে অযথা ভিড় না করার আহ্বান জানিয়েছেন। সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, সরকার তেলের দাম বাড়ায়নি এবং সরবরাহও কমানো হয়নি। ফলে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কোনো যৌক্তিকতা নেই।

দেশের বাজারে এপ্রিল মাসেও জ্বালানি তেলের দাম না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল না কিনতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

চলমান জ্বালানি প্রেক্ষাপটে দেশের সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

ইরান যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতার কারণে জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কায় সরকার রেশনিং শুরু করেছিল। পরে তা প্রত্যাহার করা হয়।

দেশের জনগণের চাহিদা বিবেচনা করে বিভাগীয় শহরে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

জ্বালানি সংকটের গুজবে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের হিড়িক পড়েছে। বিপিসি জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় গ্রাহকরা এখন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন, যা অনেক ক্ষেত্রে অনুমোদিত সীমার বাইরে। এর ফলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহক

জ্বালানি সংকটের গুজবে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত তেল সংগ্রহের হিড়িক পড়েছে। বিপিসি জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় গ্রাহকরা এখন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে তেল সংগ্রহের চেষ্টা করছেন, যা অনেক ক্ষেত্রে অনুমোদিত সীমার বাইরে। এর ফলে ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্রাহক