
দৃষ্টিহীনদের চলাচল সহজ করতে বিশেষ এআই চশমা তৈরি করে সিইএস ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন কর্নেল আমারিই। গাইড ডগের বিকল্প হিসেবে কাজ করা এই ডিভাইসটি হ্যাপটিক কম্পনের মাধ্যমে পথনির্দেশ দেয়। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত এই প্রযুক্তি এখন বিশ্ববাজারে পৌঁছানোর পথে।

স্মার্টফোন দিয়েই আপনি পাল্টে ফেলতে পারবেন নখের রঙ

ডিভাইসের মাধ্যমে প্রায় ৪০০ রঙে নখগুলোকে রাঙিয়ে নেওয়া যাবে।

লুসিড গ্রুপ, নিউরো ও উবার যৌথভাবে এনেছে রোবোটেক্সি। কনজিউমার টেকনোলজি অ্যাসোসিয়েশন লাস ভেগাসে আয়োজন করেছে ‘সিইএস ২০২৫’। সেই প্রদর্শনীতেই প্রদর্শিত হলো গাড়িটি। এটি লুসিডের গ্র্যাভিটি বৈদ্যুতিক এসইউভি নির্ভর। এর ছাদের ওপর বসানো সেন্সরের সঙ্গে যুক্ত আছে ক্যামেরা, লাইডার ও রাডার।

এআই প্রযুক্তি এবার ব্যবহার হবে দৈনন্দিন জীবনে। এবারের কনজিউমার ইলেকট্রনিক শোতে এমন সব এআই প্রযুক্তি উঠে এসেছে, যা স্বাস্থ্য পরীক্ষা, চুলের স্টাইলসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যাবে। প্রদর্শনীতে এআই প্রযুক্তি নির্ভর একধরনের মানবসাদৃশ রোবটও ছিল, যা ভবিষ্যতে দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করা যাবে।

বছরের শেষপ্রান্তে রুপার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ১৯৫১ সালের পর এটিই সবচেয়ে বেশি। সৌর প্যানেল, এআই ডেটা সেন্টার ও ইলেকট্রনিক পণ্যে রুপার ব্যবহার অপরিহার্য। রুপার এমন মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে কি চীনের আন্তর্জাতিক রাজনীতির কোনো সম্পর্ক রয়েছে?

কনজিউমার টেকনোলজি অ্যাসোসিয়েশন লাস ভেগাসে আয়োজন করেছে ‘সিইএস ২০২৫’। সিঙ্গাপুর-ভিত্তিক এআই রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘শার্পা’ এই প্রদর্শনীতে এনেছে এমন এক রোবট যা ক্যাসিনোর তাস খেলা পরিচালনা করতে সক্ষম।

কনজিউমার টেকনোলজি অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘সিইএস ২০২৫’-এ হুন্দাই মোটর গ্রুপ প্রথমবারের মতো এনেছে ‘অ্যাটলাস’ নামের নেক্সট-জেনারেশন হিম্যানয়েড রোবট। এই রোবট প্রধানত শিল্প-কারখানায় কাজের উপযোগী। প্রদর্শনীটি ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

নেভাদার লেক মিডে পরীক্ষিত ‘আর্ক স্পোর্ট ইভি’দেখাচ্ছে পরিবেশবান্ধব নৌযানের ভবিষ্যৎ। গ্যাসের বদলে বিদ্যুৎচালিত এই বোট দ্রুতগতি, নীরবতা ও শূন্য দূষণের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। উচ্চমূল্য সত্ত্বেও আধুনিক প্রযুক্তি ও কম রক্ষণাবেক্ষণে বাজারে আগ্রহ বাড়ছে।

রাজধানীর পল্টন এলাকায় আকুপাংচার ও ম্যাসাজ করার নানা পণ্য বিক্রি হয়। বিক্রেতা কাঠের কারিগর দিয়ে এসব জিনিস বানিয়ে আনেন। ভিডিও: শেখ সাদিয়া বানু

আমাদের দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে এআই-এর অনৈতিক ব্যবহারই বেশি। এ নিয়ে সেভাবে যেহেতু জরিপ বা গবেষণা হয় না, তাই বিষয়টির প্রামাণ্য তথ্য হাজির করা কঠিন। তবে এ দেশে বছরদুয়েক সাংবাদিকতা করা যে কেউ আশা করি এ বিষয়টায় একমত হবেনই। অবাকও হতে পারেন, কারণ এ দেশের সংবাদমাধ্যমগুলোয় এআই লিটারেসি এতটাই অ, আ, ক, খ পর্যা

Google Zero হলো একটি তত্ত্বের সত্যে পরিণত হওয়ার শঙ্কা। গুগলের সার্চ ইঞ্জিনের একটি নতুন ফিচার হলো এআই ওভারভিউ। গুগলে কোনো বিষয় নিয়ে সার্চ করতে গেলেই এখন চোখের সামনে আগে ভেসে ওঠে এই ফিচার। এতে সার্চ করা বিষয়ের ওপর একটি সামারি বা সারসংক্ষেপ তুলে ধরে গুগলের এআই

শিশুরা শুধু এআই ব্যবহারেই এগিয়ে নয়, বলা যায় তারা এআই যুগের প্রথম পথিকৃৎ। একই সঙ্গে তারা এই প্রযুক্তির পরীক্ষামূলক প্রাণী বা গিনিপিগও। কারণ এআইয়ের যে নতুন নতুন ব্যবহার বের হচ্ছে, তার প্রথম ভোক্তা হচ্ছে শিশুরাই। একটি সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, আমেরিকার কিশোর–কিশোরীরা বাড়িতে তাদের বাবা–মায়ের তুলনায় বেশি এআই

আমরা কি এমন এআই সঙ্গী চাই, যা আমাদের মৌলিক চিন্তা করার জন্য সাহায্য করে? নাকি এমন এআই চাই, যা আমাদের পছন্দকে প্রভাবিত করার জন্য আমাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত এবং চিন্তাভাবনা থেকে কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ তৈরি করে?

আমরা কি এমন এআই সঙ্গী চাই, যা আমাদের মৌলিক চিন্তা করার জন্য সাহায্য করে? নাকি এমন এআই চাই, যা আমাদের পছন্দকে প্রভাবিত করার জন্য আমাদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত এবং চিন্তাভাবনা থেকে কোম্পানিগুলোর লভ্যাংশ তৈরি করে?

ভারত সরকার দীর্ঘদিন ধরেই অস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা চাইছে। যে কারণে সরকারের পরিকল্পনা, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যবহৃত অস্ত্র ও তার যন্ত্রাংশের বড় অংশ যেন দেশেই ডিজাইন ও উৎপাদন করা হয়।

ভারত সরকার দীর্ঘদিন ধরেই অস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা চাইছে। যে কারণে সরকারের পরিকল্পনা, প্রতিরক্ষা খাতে ব্যবহৃত অস্ত্র ও তার যন্ত্রাংশের বড় অংশ যেন দেশেই ডিজাইন ও উৎপাদন করা হয়।

গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের আগস্ট মাসের শুরুতে এআই ওভারভিউ নিয়ে নিজেদের ব্লগে একটি পোস্ট দেয়। পোস্টটি লিখেছেন গুগল সার্চের প্রধান লিজ রিড। তাতে লিজ দাবি করেছেন, গুগলের সার্চ ইঞ্জিন থেকে ওয়েবসাইটগুলোয় যাওয়া ক্লিকের পরিমাণ বছরওয়ারি হিসেবে এখনো ঠিক আছে। তাতে বড় ধরনের কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি হয়নি

গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের আগস্ট মাসের শুরুতে এআই ওভারভিউ নিয়ে নিজেদের ব্লগে একটি পোস্ট দেয়। পোস্টটি লিখেছেন গুগল সার্চের প্রধান লিজ রিড। তাতে লিজ দাবি করেছেন, গুগলের সার্চ ইঞ্জিন থেকে ওয়েবসাইটগুলোয় যাওয়া ক্লিকের পরিমাণ বছরওয়ারি হিসেবে এখনো ঠিক আছে। তাতে বড় ধরনের কোনো হ্রাস-বৃদ্ধি হয়নি