
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। তবে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে দেশের সংখ্যা কমেছে। সম্প্রতি ২০২৬ সালের বিশ্ব পাসপোর্ট সূচক প্রকাশ করেছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স।

কিছু যাত্রী বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের সময় সরাসরি হেঁটে চলে যান, আবার কিছু যাত্রীদের নথিপত্র সংগ্রহ, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করা এবং ভিসার অনুমোদনের চিন্তায় ব্যস্ত থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কেন এমনটি হয়। এর মূল কারণ হলো পাসপোর্ট। এটি কেবল একটি ভ্রমণ নথি নয়। এটি একটি দেশের বৈশ্বিক সম্পর্ক, স্থায়িত্ব,

বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে আগুনের ঘটনা নাশকতা কি না তদন্তের আগে বলা যাবে না বলেও মন্তব্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।

পাসপোর্ট সূচকে এবার বড় অবনমন হয়েছে আমেরিকার। হেনলি পাসপোর্ট সূচক চালু হওয়ার দুই দশক পর এবারই প্রথম শীর্ষ ১০ থেকে ছিটকে পড়েছে দেশটি। মালয়েশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে দেশটি এখন দ্বাদশ অবস্থানে।

অনেকেই মনে করেন জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি বুঝি শুধুই ভোট দেওয়ার সময় প্রয়োজন হয়। আসলে তা নয়, চাকরির আবেদন, পাসপোর্ট তৈরি, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, বিয়ের রেজিস্ট্রেশন থেকে শুরু করে এ রকম জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে এনআইডির প্রয়োজন হয়।