
ফুকুশিমা বিপর্যয়ের এক দশকেরও বেশি সময় পর পারমাণবিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে চলেছে জাপান। দেশটির নিইগাতা অঞ্চল আজ সোমবার বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কাশিওয়াজাকি-কারিওয়ারি পুনরায় চালুর অনুমোদন দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রথম দিকে রাশিয়া কিয়েভের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে। পরবর্তীতে এক মাসেরও বেশি সময় প্ল্যান্ট এবং আশেপাশের এলাকা দখল করে রেখেছিল রাশিয়া।

জানুয়ারিতে ১ হাজার ৩৫৬ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিট ৬ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে টোকিও অঞ্চল এককভাবে ২ শতাংশ অতিরিক্ত বিদ্যুৎ পাবে, যা জাপানের বাড়তে থাকা বিদ্যুৎচাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখবে।

২০১১ সালের মার্চে জাপানে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প ও এর জেরে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে ফুকুশিমা দাইচি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এটাকে অন্যতম বড় পারমাণবিক বিপর্যয় হিসেবে দেখা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বৈশ্বিক নিরস্ত্রীকরণ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, দুর্বল হয়ে পড়া আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত অঞ্চল প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।