
প্রতি বছর কোরবানি ঈদের সময় চামড়া নিয়ে হতাশা একটি নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে। অথচ চামড়ার বৈশ্বিক বাজার ৫০ হাজার কোটি ডলারের বেশি। বাংলাদেশে প্রচুর কাঁচা চামড়া উৎপাদন হলেও বৈশ্বিক এ বাজারে কোনো জায়গাই নিতে পারছে না দেশ। বিলিয়ন ডলারের এই চামড়ার বাজার কি তবে বাংলাদেশ ছেড়েই দিল?

একাধিক আড়তদার জানিয়েছেন, ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে আগের বকেয়া না পাওয়ায় তারাও ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। এই শৃঙ্খলের সবচেয়ে দুর্বল প্রান্তে থাকা মৌসুমি ব্যবসায়ী ও এতিমখানা-মাদ্রাসাগুলোই শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ মাশুল দিচ্ছে।

সরকার নির্ধারিত দামের তোয়াক্কা না করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়া বিক্রি হয়েছে অত্যন্ত কম দামে। কোথাও কোথাও ন্যায্যমূল্য না পেয়ে চামড়া ফেলে দেওয়া বা মাটিতে পুঁতে রাখার ঘটনাও ঘটেছে।

পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর চামড়া যেন কোনোভাবেই নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে সিলেটে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম চামড়া দ্রুত বিক্রি করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে কাজলা গরুর হাটে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। সকালের ভারী বর্ষণে পুরো হাটে পানি জমে যায়, বিপাকে পড়েন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। ভিডিও: আরমান হোসেন মুরাদ

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকার কোরবানির পশু বর্জ্য অপসারণে প্রায় ১৬ হাজার কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যারা মাঠ পর্যায়ে বর্জ্য অপসারণে কাজ করবে। এছাড়াও থাকছে কেন্দ্রীয় ও জোনভিত্তিক সমন্বয় বা তদারক সেল।

উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগ বাড়ে, বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থান হয়, কর্মসংস্থান হলে বেকার কমে, বেকার কমলে দারিদ্র্য হ্রাস পায়।

মোসলেহ্ উদ্দিন আরও বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে জাল টাকার বিস্তার রোধে প্রতিটি পশুর হাটে ডিএমপির পক্ষ থেকে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন রাখা হবে।”

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়া প্রতি বর্গফুটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ থেকে ৬৭ টাকা, যা গত বছর ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।