যুক্তরাজ্যে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কিয়ার রডনি স্টারমারের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে অনাস্থা প্রস্তাব। স্টারমার শুরুতে বলেছিলেন পদত্যাগ করবেন না। তবে এখনকার কথাবার্তা শুনে মনে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, তিনি পদত্যাগের পথেই হাঁটছেন। যুক্তরাজ্যে কি রাজনৈতিক পালাবদল হতে যাচ্ছে?

গত সপ্তাহের স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টি ইংল্যান্ডজুড়ে প্রায় ১৫শ কাউন্সিলর হারিয়েছে এবং ওয়েলসে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে। এই বিশাল পরাজয়ই মূলত স্টারমারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিশাল জয় নিয়ে ক্ষমতায় এলেও অনেক এমপি তাকে ব্যর্থ মনে করছেন।

স্টারমার যখন শুরুতে ইরানে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন বাহিনীকে ব্রিটেনের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানান—তখন ট্রাম্প ব্রিটিশ নেতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন যে, তিনি ‘উইনস্টন চার্চিল’ নন।

সাক্ষাৎকারে স্টারমার ওই অঞ্চলে ব্রিটেনের মাইন-সুইপার (মাইন অপসারণকারী জাহাজ) মোতায়েন রয়েছে বলে জানিয়েছেন। তবে সামরিক গোপনীয়তার স্বার্থে তিনি বিস্তারিত কিছু না বললেও স্পষ্ট করেন যে, তাদের সামরিক সক্ষমতা মূলত প্রণালিটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

স্টারমার জানান, লন্ডন একটি সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষামূলক উদ্দেশ্যে আমেরিকাকে ব্রিটিশ ঘাঁটি থেকে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। এই অভিযানের লক্ষ্য হলো ইরানের সেইসব ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং মজুদাগারগুলো ধ্বংস করা, যা যুক্তরাজ্য ও তার মিত্রদের ওপর হামলার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।