
এর আগে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের একটি বাসার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রথমে শিশুটির মাথা পাওয়া না গেলেও পরে ওই বাসার একটি বালতির ভেতর থেকে মাথাটি উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের থেকে জানা গেছে, ঘটনার পর থেকেই ফোরকান নিখোঁজ ছিলেন। পরে মেহেরপুর এলাকা থেকে একটি ব্যাগ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

ওসি জানান, বর্তমানে ডিএমপির উদ্যোগে শুধুমাত্র শাহবাগ থেকে জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত কিছু এআইভিত্তিক ট্রাফিক সিগন্যাল স্থাপন করা হয়েছে। অন্য কোনো সড়কে এখনো এ ধরনের ক্যামেরা বসানো হয়নি।

পুলিশ জানায়, আহত দুইজন রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় ৫ থেকে ৬ জন দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলে এসে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিতে দুজনের পায়ে আঘাত লাগে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিত চন্দ্র নাথ জানান, সৌরভের সর্বশেষ অবস্থান নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বাসযোগে অন্য কোথাও চলে যেতে পারেন।

রাজীবকে আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান জানান, তীব্র গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বলে তারা খবর পেয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

রাজধানীর পল্লবীতে সাবলেট বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে ফিরোজা খানম জোসনা নামের এক শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে পল্লবীর ১২ নম্বর ডি ব্লকের একটি বাসা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

মারিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তার মা ঢাকায় গিয়ে আজ সকালে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে অবস্থার আরও অবনতি হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

রাজধানীর মগবাজার এলাকায় নবীন ফ্যাশনের একটি পাঞ্জাবির দোকান বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হওয়ার প্রেক্ষাপটে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন হাতিরঝিল থানার ওসি গোলাম মর্তুজা। তিনি জানিয়েছেন, আকর্ষণীয় অফারকে কেন্দ্র করে হঠাৎ অতিরিক্ত ভিড় ও বাইকারদের চাপের কারণেই ওই পরিস্থিতির সৃ

একটি জলাশয়ে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মরদেহের গলায় রশি পেঁচানো এবং দুই হাত পিছমোড়া করে বাঁধা ছিল।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘুরতে বের হয়ে দুই বন্ধু মোটরসাইকেলে ওই সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তারা গুরুতর আহত হন।

সংঘর্ষের কারণে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি স্থানীয় স্কুলশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, “বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে নামাজের স্থান নিয়ে বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নামাজ আর অনুষ্ঠিত হয়নি।”

সংঘর্ষের কারণে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেননি স্থানীয় স্কুলশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম। তিনি বলেন, “বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে নামাজের স্থান নিয়ে বিরোধ থেকেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে নামাজ আর অনুষ্ঠিত হয়নি।”