
স্বজনদের দাবি, রোববার বিকেলে রুনা বেগম স্ট্রোকে আক্রান্ত হলে প্রথমে তাকে নাটোর সদর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আল-সান হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে তাকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়। রাত প্রায় ১১টার দিকে হাসপাতালের মালিক বাবলু রোগীর অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দেন।

শিশু মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধ রাখায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। হাসপাতালের কোনো দুর্বলতা থাকলে তা তদন্ত ও শাস্তির আওতায় আনার পাশাপাশি মানবিক ও যৌক্তিক কারণে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় অতি দ্রুত আদ-দ্বীন হাসপাতালটি খুলে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রত

জীবনযুদ্ধ। এই শব্দটি আমাদের দেশে অত্যন্ত পরিচিত একটি শব্দ। সোশ্যাল মিডিয়া, বিশেষ করে ফেসবুকের কারণেই শব্দটি এ দেশে বেশ হাস্যরসের। কিন্তু আদতে বাংলাদেশের মানুষ এই যুদ্ধই করে প্রতিদিন, প্রতিটা ঘণ্টায়, প্রতিটা সেকেন্ডে। কারণ, এই দেশের মানুষ চলছে অদৃষ্টের ভরসায়।

দিনশেষে শ্বাস-প্রশ্বাসে সক্রিয় থাকা সবাই তো এই দেশের করুণ ও ন্যূনতম নিশ্চয়তাহীন জীবনযুদ্ধের অকুতোভয় ও হার না মানা জীবনযোদ্ধা, তাই না? মুখনিঃসৃত একটুখানি ‘অভিনন্দন’ তো প্রাপ্যই আমাদের, ঠিক কিনা?

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাজারীবাগ থানার পরিদর্শক মো. শাহাদাত হোসেন জানান, মধ্যরাতে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে দরজা ভেঙে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর গেন্ডারিয়া থানাধীন ভাট্টিখানা এলাকার একটি মেস থেকে আকাশ সরকার (২৭) নামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তথ্যে পুলিশের ধারণা, আকাশ আত্মহত্যা করেছেন।

পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

দুই শিশুর পরিবারের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি গতকাল সকালে খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা। পরে নিকট আত্মীয়রা তাদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়